22 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিমমতা ব্যানার্জি বললেন, বিজেপি দেশ ত্যাগ না করা পর্যন্ত শান্তি পাবেন না

মমতা ব্যানার্জি বললেন, বিজেপি দেশ ত্যাগ না করা পর্যন্ত শান্তি পাবেন না

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেসের সভানেত্রী মমতা ব্যানার্জি ২২ ডিসেম্বর কলকাতা শহরের নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত পার্টি সমাবেশে তীব্র ভাষায় প্রকাশ করেছেন যে, তিনি বিজেপি দেশ ত্যাগ না করা পর্যন্ত শান্তি পাবেন না। তিনি উপস্থিত দলীয় কর্মী ও সমর্থকদের উদ্দেশ্যে কেন্দ্রীয় শাসনকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে, বিজেপিকে “শূন্য” করার দাবি তোলেন এবং ভবিষ্যৎ নির্বাচনে পার্টিটিকে বিদায় জানানোর আহ্বান জানান।

সমাবেশে ব্যানার্জি তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীদের উৎসাহিত করে, “বিজেপি শূন্য করতে হবে, চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করতে হবে” বলে দাবি করেন। তিনি বলেন, যদি ত্রিশ বছর ধরে কেন্দ্রীয় শাসনকে বিরোধিতা করা হয়, তবে এখনই সময় এসেছে “বিজেপি কেড়ে নেওয়ার”। তদুপরি, তিনি ত্রিপক্ষীয় রাজনৈতিক লড়াইয়ের রূপক ব্যবহার করে, “বাংলা জিতলে আমরা দিল্লি কাড়বো” বলে শোনান, যা তার পার্টির ভবিষ্যৎ কৌশলকে নির্দেশ করে।

ব্যানার্জি ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপিকে পশ্চিমবঙ্গ থেকে বিদায় জানানোর আহ্বানও জানিয়ে দেন। তিনি উল্লেখ করেন, “বিজেপি ছাড়া পশ্চিমবঙ্গের ভবিষ্যৎ গড়ে উঠবে” এবং পার্টির কর্মীদের বলছেন, “আপনাদের লড়াই বাংলায়, জয় বাংলায়, তবেই দিল্লি কাঁধে নেবে”। এই বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি আসন্ন নির্বাচনের জন্য ত্রিপক্ষীয় প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তোলার ইঙ্গিত দেন।

সমাবেশের সময় তিনি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের প্রতি তীব্র সমালোচনা করেন। “অপদার্থ হোম মিনিস্টার” বলে তাকে সম্বোধন করে, তিনি বলেন, অমিত শাহ স্বৈরাচারী ও দুরাচারী, এবং তিনি দেশের সবকিছুই নিয়ন্ত্রণে রাখেন, এমনকি প্রধানমন্ত্রীকে এবং পুরো দেশকে। এই মন্তব্যের মাধ্যমে তিনি কেন্দ্রীয় শাসনের নীতি ও কার্যক্রমের প্রতি তার অস্বীকৃতি প্রকাশ করেন।

ব্যানার্জি ত্রিপক্ষীয় রাজনৈতিক দৃশ্যপটে কেন্দ্রীয় শাসনের বিরোধিতা ও ত্রিপক্ষীয় সমর্থন গড়ে তোলার লক্ষ্যে তার বক্তব্যকে রূপান্তরিত করেছেন। তিনি উপস্থিত শ্রোতাদের অনুরোধ করেন, “দিল্লি কেড়ে নেব, তবে প্রথমে বাংলায় জয় নিশ্চিত করতে হবে”। তার এই রেটোরিক্যাল পদ্ধতি ত্রিপক্ষীয় রাজনৈতিক গঠনকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি, ত্রিপক্ষীয় সমর্থন গড়ে তোলার জন্য একটি স্পষ্ট বার্তা দেয়।

বিবৃতি প্রকাশের পর, বিজেপি থেকে কোনো তাত্ক্ষণিক মন্তব্য বা প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ত্রিপক্ষীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা উল্লেখ করেন, ব্যানার্জির এই রেটোরিক্যাল আক্রমণ ও ভবিষ্যৎ নির্বাচনের আহ্বান পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে নতুন উত্তেজনা যোগ করতে পারে, বিশেষ করে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি চলাকালীন।

ব্যানার্জির এই বক্তব্যের ফলে ত্রিপক্ষীয় রাজনৈতিক সমতা ও পার্টি গঠন নিয়ে আলোচনা বাড়বে বলে অনুমান করা হচ্ছে। ত্রিপক্ষীয় সমর্থন গড়ে তোলার জন্য তিনি যে রণনীতি প্রস্তাব করেছেন, তা ত্রিপক্ষীয় পার্টিগুলোর মধ্যে সমন্বয় ও সমঝোতার সম্ভাবনা উন্মোচন করতে পারে। তবে, কেন্দ্রীয় শাসনের সঙ্গে তীব্র বিরোধিতা ও অমিত শাহের প্রতি সরাসরি আক্রমণ রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়াতে পারে এবং ভবিষ্যৎ নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় পার্টিগুলোর কৌশলগত অবস্থানকে প্রভাবিত করতে পারে।

সারসংক্ষেপে, মমতা ব্যানার্জি ২২ ডিসেম্বরের সমাবেশে বিজেপি ত্যাগ না করা পর্যন্ত শান্তি পাবেন না, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপিকে বিদায় জানানোর আহ্বান এবং অমিত শাহের প্রতি তীব্র সমালোচনা করে ত্রিপক্ষীয় রাজনৈতিক দৃশ্যপটে নতুন দিকনির্দেশনা প্রদান করেছেন। তার রেটোরিক্যাল আক্রমণ ও ভবিষ্যৎ নির্বাচনের পরিকল্পনা পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে নতুন গতিবিধি সৃষ্টি করবে, যা আসন্ন নির্বাচনী চক্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments