19 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিবিএনপি নেতা সেলিমা রহমানের বক্তব্যে ১২ ফেব্রুয়ারি গণঅভ্যুত্থানের সূচনা ঘোষণা

বিএনপি নেতা সেলিমা রহমানের বক্তব্যে ১২ ফেব্রুয়ারি গণঅভ্যুত্থানের সূচনা ঘোষণা

বিএনপি জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে তারেক রহমানের নেতৃত্বে গণঅভ্যুত্থানের পরিকল্পনা কার্যকর হবে বলে জানিয়ে একটি বিশাল আলোচনা সভার সূচনা করেন। অনুষ্ঠানটি ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বিজয় দিবসের উপলক্ষে স্থানীয় ও পৌর স্তরের বিএনপি সংগঠনগুলো একত্রিত হয়েছে।

সকালবেলা অনুষ্ঠিত এই সভা হালুয়াঘাট উপজেলা ও পৌর বিএনপির উদ্যোগে উত্তর খয়রাকুড়িস্থ উপজেলা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। উপস্থিতদের মধ্যে স্থানীয় নেতা, পার্টির কর্মী এবং সাধারণ জনগণ ছিলেন, যারা বিজয় দিবসের গুরুত্ব ও দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা করতে একত্রিত হয়েছেন।

সেলিমা রহমানের মতে, স্বাধীনতা যুদ্ধের শিহরণ ও ২৪ই ফেব্রুয়ারির গণঅভ্যুত্থানের স্বপ্ন এখন বাস্তবায়নের পথে রয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, দেশের স্বাতন্ত্র্য ও সম্পদ কোনো একক গোষ্ঠীর দখলে থাকা উচিত নয়; ভোটাধিকার ও গণতন্ত্রের পুনঃপ্রতিষ্ঠার মাধ্যমে প্রকৃত মালিকানা জনগণের হাতে ফিরে আসবে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, দীর্ঘদিন ধরে ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থা জনগণের ভোটাধিকারকে হরণ করেছে এবং রাষ্ট্রের মৌলিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ক্ষয় করেছে। এসব সমস্যার সমাধান হিসেবে তিনি স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ নির্বাচনকে একমাত্র উপায় হিসেবে তুলে ধরেন, যা গণতান্ত্রিক শাসন ও জনগণের সরকার গড়ে তুলবে।

বিলম্বিত নির্বাচন প্রক্রিয়া দেশের রাজনৈতিক পরিবেশকে অস্থির করে তুলেছে, ফলে উগ্র গোষ্ঠীর উত্থান ঘটেছে। সেলিমা রহমান বলেন, এই গোষ্ঠীগুলো দেশের অর্জিত স্বাধিনতা ও অগ্রগতি নষ্ট করার চেষ্টা করছে, যা দেশের জন্য হুমকি স্বরূপ। তিনি এসব গোষ্ঠীর কার্যক্রমের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের আহ্বান জানান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বিজয় দিবসের তাৎপর্য নিয়ে মন্তব্য করেন। তিনি উল্লেখ করেন, এই দিনটি স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষার শপথ পুনর্নবীকরণের দিন, যা দেশের নাগরিকদের জন্য এক নতুন দায়িত্বের সূচনা করে।

সালেহ প্রিন্স দেশের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছে বলে উল্লেখ করে, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি একটি মানবিক, গণতান্ত্রিক ও সমতার ভিত্তিতে গড়া বাংলাদেশ গড়তে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তিনি জোর দিয়ে বলেন, স্বাধীনতা বিরোধী ও উগ্রবাদী উপাদানগুলোর জন্য দেশে কোনো স্থান থাকবে না।

সভাটি উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আসলাম মিয়া বাবুলের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব আবু হাসনাত বদরুল কবীরের সঞ্চালনায় পরিচালিত হয়। ময়মনসিংহ উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক এনায়েত উল্লাহ কালামও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এবং পার্টির লক্ষ্য ও পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন।

সেলিমা রহমানের এই ঘোষণার পর, পার্টি কর্মীরা ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। পরিকল্পনা অনুযায়ী, বিভিন্ন স্তরে সমাবেশ, র্যালি ও জনমত গঠনমূলক কার্যক্রম চালু হবে, যা দেশের রাজনৈতিক পরিবেশকে পুনর্গঠন করার লক্ষ্যে পরিচালিত হবে।

এই উদ্যোগের ফলে দেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে নতুন গতিবিধি দেখা যাবে বলে বিশ্লেষকরা অনুমান করছেন। ভোটাধিকার ও গণতন্ত্রের পুনঃপ্রতিষ্ঠা যদি সফল হয়, তবে তা দেশের ভবিষ্যৎ নীতি ও শাসনব্যবস্থার উপর গভীর প্রভাব ফেলবে। তবে সবকিছুই নির্ভর করবে নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণের উপর।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments