19 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিশিলিগুড়িতে হিন্দু সংগঠনগুলোর বিক্ষোভে বাংলাদেশের ভিসা কেন্দ্র বন্ধ

শিলিগুড়িতে হিন্দু সংগঠনগুলোর বিক্ষোভে বাংলাদেশের ভিসা কেন্দ্র বন্ধ

শিলিগুড়িতে হিন্দু অধিকার সংগঠনগুলোর বিক্ষোভে বাংলাদেশের ভিসা কেন্দ্র ভাঙচুরের পর, কেন্দ্রটি বন্ধ করা হয়েছে। বিক্ষোভের সময় ২৪শে ডিসেম্বর সোমবার, শিলিগুড়ির বাঘা যতীন পার্কে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর বাংলাদেশের alleged নির্যাতনের প্রতিবাদে সমাবেশ হয়। ভিসা কেন্দ্রের অপারেটর ডিইউডিজিটালকে কেন্দ্রটি বন্ধ রাখতে বলা হয় এবং বিকাল তিনটায় তা বাস্তবায়িত হয়।

বিএইচপি, হিন্দু জাগরণ মঞ্চ এবং শিলিগুড়ি মহানগর সংগঠনের সদস্যরা এই সমাবেশে অংশ নেন। উপস্থিতি প্রায় শ-তিনেক সদস্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল, যারা একত্রে ভিসা অফিসের চারপাশে ঘেরাও গঠন করে।

বিক্ষোভকারীরা বাংলাদেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতন বন্ধ, দীপু দাসের হত্যার ন্যায়বিচার এবং দোষী ব্যক্তিদের শাস্তি দাবি করে। তারা ভিসা কেন্দ্রের দরজা বন্ধ করে রাখার পাশাপাশি ব্যানার ও বোর্ড সরিয়ে ফেলতে আহ্বান জানায়।

একজন প্রতিনিধিরা ডিইউডিজিটালের কর্মকর্তাকে ফোনে জানিয়ে দেন যে, “এই অফিসের তালা খুলবেন না” এবং “বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর অত্যাচার চলতে থাকলে এখানে ব্যবসা করা যাবে না” বলে অনুরোধ করেন। একই সঙ্গে তারা কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের কাছে এই বিষয়টি জানাতে প্রস্তুত থাকার কথা জানান।

প্রতিনিধি দল স্থানীয় গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলে জানান যে, তারা সংগঠনের পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারকে অবহিত করবে এবং হিন্দু ভাইদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত কোনো ভারতীয় নাগরিককে বাংলাদেশে যাওয়ার অনুমতি না দেওয়ার দাবি রাখবে।

ডিইউডিজিটাল নিরাপত্তা উদ্বেগের কথা বিবেচনা করে বিকাল তিনটায় ভিসা কেন্দ্রের দরজা বন্ধ করে দেয়। কেন্দ্রটি পুনরায় চালু করা হবে কিনা, তা পরবর্তী পর্যবেক্ষণের পরে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এই ঘটনার পর, ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কলকাতা দপ্তরে নিরাপত্তা জোরদারের অনুরোধসহ একটি কূটনৈতিক পত্র পাঠানো হয়েছে। পত্রে শিলিগুড়িতে ভিসা কেন্দ্রের নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্তিশালী করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

ডিইউডিজিটাল কয়েক বছর ধরে শিলিগুড়িতে বাংলাদেশের ভিসা কেন্দ্র পরিচালনা করে আসছে। পূর্বে এই দায়িত্বটি একটি বেসরকারি সংস্থা থেকে এই প্রতিষ্ঠানকে হস্তান্তর করা হয়েছিল।

বিক্ষোভের পেছনে বাংলাদেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে। বিশেষ করে দীপু দাসের হত্যাকাণ্ডের ন্যায়বিচার না হওয়া নিয়ে প্রতিবাদকারীরা ক্রুদ্ধ। তারা দাবি করে যে, হিন্দুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশে ভিসা প্রক্রিয়া বন্ধ রাখা উচিত।

ভিসা কেন্দ্রের বন্ধ হওয়া দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। শিলিগুড়ি অঞ্চলে ভিসা সেবা বন্ধ হওয়ায় ব্যবসায়িক ও পারিবারিক ভ্রমণ পরিকল্পনা ব্যাহত হতে পারে। ভবিষ্যতে নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্থিতিশীল হলে কেন্দ্রটি পুনরায় চালু করা হতে পারে।

ভারতীয় কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিকোণ থেকে, শিলিগুড়িতে হিন্দু সংগঠনগুলোর এই পদক্ষেপকে নিরাপত্তা ঝুঁকি হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। তাই, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং স্থানীয় প্রশাসন একসঙ্গে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছে।

সারসংক্ষেপে, শিলিগুড়িতে হিন্দু সংগঠনগুলোর বিক্ষোভে বাংলাদেশের ভিসা কেন্দ্র ভাঙচুরের পর তা বন্ধ করা হয়েছে, নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে পুনরায় চালু করার সিদ্ধান্ত পরবর্তীতে নেওয়া হবে। এই ঘটনা উভয় দেশের কূটনৈতিক সংলাপ ও ভিসা সেবার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে, এবং ভবিষ্যতে নিরাপত্তা ও মানবাধিকার সংক্রান্ত আলোচনার নতুন দিক উন্মোচিত হতে পারে।

৯৪/১০০ ২টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: প্রথম আলোইত্তেফাক
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments