27 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধবন্ডি এলাকায় দুই মাসে দু’টি সন্ত্রাসী হামলা, ২১ জন নিহত

বন্ডি এলাকায় দুই মাসে দু’টি সন্ত্রাসী হামলা, ২১ জন নিহত

১৪ ডিসেম্বর বন্ডি, সিডনি উপকূলে হানুক্কা উদযাপন অনুষ্ঠানে দু’জন গুলিবিদ্যুৎকারী হঠাৎ গুলি চালিয়ে ১৫ জনের প্রাণ ত্যাগ করে। এর মধ্যে ১০ বছর বয়সী একটি মেয়ের মুখে রঙিন চিত্রকলা ছিল, যা ঘটনাস্থলে শোকের ছায়া বাড়িয়ে দেয়। পুলিশ ঘটনাটিকে সন্ত্রাসী হামলা হিসেবে ঘোষণা করেছে এবং তদন্তের দায়িত্বে ফেডারেল ও রাজ্য নিরাপত্তা সংস্থা যুক্ত হয়েছে।

এই হামলার আগে মাত্র এক বছর আগে, এপ্রিলে একই এলাকার ওয়েস্টফিল্ড বন্ডি জংশন শপিং সেন্টারে এক মানসিক অস্থিরতা আক্রান্ত ব্যক্তি ছয়জনকে ছুরি দিয়ে হত্যা করে। ওই ঘটনার পরপরই স্থানীয় করোনার ইনকোয়েস্ট শুরু হয়, তবে হানুক্কা ঘটনার ফলে ফলাফল প্রকাশে বিলম্ব হয়েছে।

প্রথম ঘটনার তদন্তে মৃতদেহের ফরেনসিক বিশ্লেষণ, শিকারদের পরিবার থেকে বিবৃতি এবং সন্দেহভাজনের মানসিক অবস্থা যাচাই করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এখনো অপরাধীর পরিচয় ও মোটিভ সম্পর্কে স্পষ্টতা দিতে পারেনি, তবে তিনি মানসিক রোগে আক্রান্ত ছিলেন বলে জানা যায়।

হানুক্কা উদযাপন অনুষ্ঠানে গুলি চালানো দুই গুলিবিদ্যুৎকারীকে তৎক্ষণাৎ নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিবিদ্ধ করে গ্রেফতার করা হয়। ঘটনাস্থলে প্রথমে পৌঁছানো পারামেডিক, পূর্বে ওয়েস্টফিল্ডের ছুরি হামলায়ও প্রথমে উপস্থিত ছিলেন, ফলে দু’টি ভিন্ন ধরনের সহিংসতার সঙ্গে তার অভিজ্ঞতা একসাথে যুক্ত হয়েছে।

বন্ডি এলাকার বাসিন্দা মেরি, যিনি নাম প্রকাশ না করে গোপনীয়তা বজায় রেখেছেন, ঘটনাগুলোকে “পূর্বের মতোই ভয়ানক” বলে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, “এখানে নিরাপত্তা নিয়ে আমি সবসময় আত্মবিশ্বাসী ছিলাম, কিন্তু এই দু’টি ঘটনার পর সবকিছু বদলে গেছে।” তার কথা শোনার পর অনেকেই একই রকম শোক ও হতাশা প্রকাশ করে।

বন্ডি, অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে পরিচিত সমুদ্রতট, তার স্বচ্ছ পানির সঙ্গে একটি ঘনিষ্ঠ সম্প্রদায়ের পরিচয় বহন করে। প্রতিবেশীরা একে অপরকে চেনেন, তাই একাধিক পরিবার একই সময়ে শোকের মধ্যে ডুবে আছে। শোকের চিহ্ন হিসেবে সমুদ্রতটে ফুলের গাছের সারি সাজানো হয়, যা এখন ধীরে ধীরে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

জাতীয় স্তরে শোকের দিন নির্ধারিত হয়, যেখানে বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক গোষ্ঠী একত্রে শোকের মোমবাতি জ্বালায়। হানুক্কা উদযাপনের শেষ রাতে, ইহুদি সম্প্রদায়ের সদস্যরা শেষবারের মতো মোমবাতি জ্বালিয়ে শোকের সমাপ্তি চিহ্নিত করে।

কোর্টে এখনো কোনো দোষারোপের রায় প্রকাশিত হয়নি, তবে করোনার ইনকোয়েস্টের ফলাফল শীঘ্রই প্রকাশের কথা রয়েছে। তদন্তকারী সংস্থাগুলো উভয় ঘটনার সংযোগ খুঁজে বের করার পাশাপাশি নিরাপত্তা ব্যবস্থার পুনর্বিবেচনা করার পরিকল্পনা করেছে।

এই দু’টি সহিংস ঘটনার পর বন্ডি ও সমগ্র অস্ট্রেলিয়ার নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তীব্র হয়েছে। স্থানীয় সরকার এবং ফেডারেল কর্তৃপক্ষ এখনো নিরাপত্তা বাড়ানোর জন্য নতুন নীতি প্রণয়ন করছে, যাতে ভবিষ্যতে এমন দুঃখজনক ঘটনা পুনরাবৃত্তি না হয়।

৯৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিবিসি
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments