27 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeখেলাধুলাল্যানকশায়ার দুই ফুটবলার ট্যানজানিয়ার আফকন যাত্রা মরক্কোতে শুরু

ল্যানকশায়ার দুই ফুটবলার ট্যানজানিয়ার আফকন যাত্রা মরক্কোতে শুরু

ল্যানকশায়ার ভিত্তিক দুই তরুণ ফুটবলার, ত্যারিন আল্লারাখিয়া ও হাজি ম্নোগা, ট্যানজানিয়ার জাতীয় দলে যোগ দিয়ে মরক্কোতে অনুষ্ঠিত আফ্রিকান নেশনস কাপের (AFCON) দ্বিতীয় পর্যায়ে অংশ নিতে প্রস্তুত। উভয়ই ইংরেজি লোয়ার লিগে খেলছেন এবং ট্যানজানিয়ার ইতিহাসে চতুর্থবার টুর্নামেন্টে উপস্থিতি নিশ্চিত করেছে, যদিও দলটি এখনো কোনো জয় অর্জন করতে পারেনি।

তারা প্রথমবার ২০২৩ সালে ন্যাশনাল লীগে উইল্ডস্টোন ও অল্ডারশটের মধ্যে অনুষ্ঠিত ম্যাচে প্রতিপক্ষ হিসেবে মুখোমুখি হয়। সেই মুহূর্তে দুজনের বন্ধুত্বের সূচনা হয় এবং পরবর্তীতে উভয়ই উত্তর-পশ্চিম ইংল্যান্ডে স্থানান্তরিত হয়ে একসাথে ট্যানজানিয়ার জাতীয় দলে খেলা শুরু করে।

আল্লারাখিয়া লন্ডনে জন্মগ্রহণ করে বর্তমানে ন্যাশনাল লীগ শীর্ষস্থানীয় রচডেল দলের হয়ে খেলছেন। অন্যদিকে ম্নোগা স্যালফোর্ডের লিগ টু দলকে প্রমোশন লড়াইয়ে সহায়তা করছেন এবং ইংল্যান্ডের যুব দলেও একবার কেপ পেয়েছেন। দুজনই যুক্তরাজ্যের বাসিন্দা হলেও তাদের পিতামাতা তানজানিয়ায় নতুন জীবন গড়ার জন্য যুক্তরাজ্যে অভিবাসন করেন।

ট্যানজানিয়া ফুটবল ইতিহাসে এখন পর্যন্ত চারবার AFCON-এ অংশগ্রহণ করেছে এবং ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে ১১২তম স্থানে রয়েছে। ২০২৩ সালের কোত দিভোয়ারে দলটি জাম্বিয়া ও ডিআর কঙ্গোর সঙ্গে ড্র করে গ্রুপ থেকে বের হতে পারেনি, যদিও ঐ টুর্নামেন্টে তারা সর্বোচ্চ পয়েন্ট সংগ্রহের রেকর্ড তৈরি করেছিল।

এই বছর ট্যানজানিয়া গ্রুপে নাইজেরিয়া, টিউনিশিয়া ও উগান্ডার সঙ্গে মুখোমুখি হবে। নাইজেরিয়া গ্রুপের সর্বোচ্চ র‍্যাঙ্কের দল এবং টিউনিশিয়া ও উগান্ডা উভয়ই শক্তিশালী প্রতিপক্ষ হিসেবে বিবেচিত। ম্নোগা উল্লেখ করেন, “সব ম্যাচই কঠিন হবে, কিন্তু আমরা দেশের জন্য ইতিহাস রচনা করতে চাই। দুই বছর আগে আমরা সর্বোচ্চ পয়েন্ট পেয়েছিলাম, এবার তার চেয়েও বেশি অর্জন করতে চাই।” এই লক্ষ্য অর্জনই দলের প্রধান উদ্দেশ্য।

দুই খেলোয়াড়ের পারিবারিক পটভূমি একই রকম; তাদের পিতা-ইয়ুসুফ ও সুলেইমান যুক্তরাজ্যে নতুন জীবনের সন্ধানে গিয়ে সেখানে বসবাস শুরু করেন এবং সন্তানদের ছোটবেলায় ট্যানজানিয়ায় বহু ছুটির দিন কাটিয়েছেন। এই সাংস্কৃতিক সংযোগই তাদেরকে ট্যানজানিয়ার জাতীয় দলে যোগদানের প্রেরণা জুগিয়েছে।

ম্নোগা রচডেলের প্রশিক্ষণ মাঠে বলেন, “আমি অ্যালারাখিয়ার সঙ্গে আল্ডারশটে খেলতাম, তখন জানতাম না তিনি তানজানিয়ার। তিনি খুবই দক্ষ খেলোয়াড়, তাই আমি অবাক হয়েছি যখন তিনি তানজানিয়ার জাতীয় দলীয় খেলোয়াড় বলে জানালেন। যুক্তরাজ্যে তানজানিয়ার খেলোয়াড় কম, তাই তার চেহারা দেখে কেউই তা অনুমান করতে পারে না।” এই মন্তব্যটি ট্যানজানিয়ার ফুটবলে ডায়াস্পোরার গুরুত্বকে তুলে ধরে।

ট্যানজানিয়া সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিদেশে বসবাসকারী খেলোয়াড়দের ওপর নির্ভরশীলতা বাড়িয়ে তুলেছে, যাতে আন্তর্জাতিক মঞ্চে প্রতিযোগিতামূলক শক্তি অর্জন করা যায়। আল্লারাখিয়া ও ম্নোগা দুজনই এই কৌশলের ফলস্বরূপ জাতীয় দলে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন এবং মরক্কোতে অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টে ট্যানজানিয়ার পারফরম্যান্সকে নতুন দিকনির্দেশে নিয়ে যাওয়ার আশা করা হচ্ছে।

মরক্কোতে ট্যানজানিয়ার প্রথম ম্যাচটি মঙ্গলবার নাইজেরিয়ার বিরুদ্ধে হবে, এরপর টিউনিশিয়া ও উগান্ডার সঙ্গে ধারাবাহিকতা থাকবে। দলটি এই তিনটি ম্যাচে পয়েন্ট সংগ্রহ করে গ্রুপের শীর্ষে উঠে টুর্নামেন্টের পরবর্তী রাউন্ডে অগ্রসর হওয়ার লক্ষ্য রাখছে।

৮৮/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: The Guardian – Football
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
AI-powered খেলাধুলা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments