20 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধশরিফ ওসমান হাদির হত্যার পর ধানমন্ডি ৩২ ও ছায়ানটে আগুনের হামলা, পুলিশ...

শরিফ ওসমান হাদির হত্যার পর ধানমন্ডি ৩২ ও ছায়ানটে আগুনের হামলা, পুলিশ ও ইসির মন্তব্য

শরিফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের পরপরই গত বৃহস্পতিবার রাতে ধানমন্ডি ৩২ নম্বর এবং ছায়ানট পত্রিকাগুলোর অফিসে আগুনের হামলা করা হয়। দু’টি মিডিয়া হাউসেই অগ্নিকাণ্ডের ফলে ক্ষতি হয়, তবে কোনো প্রাণহানি রিপোর্ট করা হয়নি। ঘটনাস্থলে তৎক্ষণাৎ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি সত্ত্বেও, হামলাকারীদের তৎপরভাবে আটক করার কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি।

হামলার পর পুলিশ দপ্তর থেকে অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক রফিকুল ইসলাম জানান, পূর্বে দেখা যেত এমন ‘ক্রসফায়ার’ বা ব্যাটন চার্জের মতো কঠোর পদ্ধতি এখন আর ব্যবহার করা হচ্ছে না। তিনি ব্যাখ্যা করেন, বর্তমান সময়ে পুলিশ জনগণকে বোঝাতে চায় যে, অতীতের মতোই দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব নয়; বরং সীমিত সক্ষমতার মধ্যে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, পরবর্তীতে শক্তিশালী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, যদিও সুনির্দিষ্ট কার্যক্রমের বিবরণ প্রকাশ করা হয়নি।

ছায়ানট ভবনে আগুনের হামলার প্রশ্নে ধর্ম উপদেষ্টা এ.এফ.এম. খালিদ হোসেনের মন্তব্য উল্লেখযোগ্য। তিনি জোর দিয়ে বলেন, কোনো প্রতিষ্ঠানকে জ্বালিয়ে ধ্বংস করা বা মানুষকে হত্যা করা কখনোই গ্রহণযোগ্য নয় এবং এমন কাজকে ‘অবৈধ ও গর্হিত’ হিসেবে গণ্য করা হবে। তিনি ময়মনসিংহের ভালুকা এলাকায় এক পোশাক কারখানার কর্মী দীপু চন্দ্র দাসের ওপর করা হিংসাত্মক অপরাধের (বিটে মারা, গাছে ঝুলিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া) প্রতি দুঃখ প্রকাশ করেন এবং উল্লেখ করেন, সরকার আইন শাসন বজায় রাখতে কোনো ছাড় দেবে না।

নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ জানান, ‘ডেভিল হান্ট ফেস‑২’ নামে চলমান নিরাপত্তা অভিযানের অংশ হিসেবে দেশে দ্রুত একটি যৌথ অভিযান শুরু হবে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, সন্ত্রাসী কার্যকলাপের জন্য কোনো সুযোগ থাকবে না এবং যারা দস্যুতা, হত্যাকাণ্ড বা ভোটের বিশৃঙ্খলা ঘটাতে চায়, তাদের প্রতি ‘মানবিক’ কোনো দৃষ্টিভঙ্গি থাকবে না। এই ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে নিরাপত্তা সংস্থাগুলোকে ত্বরান্বিত পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

হামলার পরপরই পুলিশ ও ইসির উভয় পক্ষই তদন্তের গুরুত্ব জোর দিয়ে বলেছে। বর্তমানে ঘটনাস্থল থেকে প্রমাণ সংগ্রহ, সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ এবং সাক্ষী-বিবৃতি নেওয়ার কাজ চলছে। সংশ্লিষ্ট অপরাধের আইনি দিক থেকে, হিংসাত্মক অপরাধের শাস্তি বিধান অনুযায়ী অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই ঘটনার ওপর ব্যাপক আলোচনা চলছে। কিছু নাগরিক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দ্রুত পদক্ষেপের অভাব নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন, আবার অন্যরা বর্তমান পুলিশিং নীতির পরিবর্তনকে স্বাগত জানিয়ে বলছেন, অতীতের ‘ক্রসফায়ার’ পদ্ধতি আর নাগরিক নিরাপত্তার জন্য উপযোগী নয়।

অধিক তথ্য ও আপডেটের জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো থেকে প্রকাশিত বিবৃতি এবং আদালতের আদেশের অপেক্ষা করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে কোনো নতুন তথ্য প্রকাশিত হলে তা অনুসরণীয় হবে।

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments