28 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধফয়সাল করিম ও সংশ্লিষ্টদের ব্যাংক চেক বইয়ে ১২৭ কোটি টাকার লেনদেন প্রকাশ

ফয়সাল করিম ও সংশ্লিষ্টদের ব্যাংক চেক বইয়ে ১২৭ কোটি টাকার লেনদেন প্রকাশ

ঢাকা শহরে গৃহহত্যা মামলায় প্রধান সন্দেহভাজন ফয়সাল করিম মাসুদের বিরুদ্ধে ব্যাংক চেক বই বিশ্লেষণে ১২৭ কোটি টাকার লেনদেনের তথ্য প্রকাশ পেয়েছে। সিআইডি গ্রেপ্তার অভিযানের সময় উদ্ধার করা বিভিন্ন ব্যাংকের চেক বইগুলোতে অভিযুক্ত ও তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর নাম উল্লেখ রয়েছে।

সিআইডি কর্তৃক সংগৃহীত চেক বইগুলোতে একাধিক অঙ্কের অর্থের উল্লেখ দেখা যায়, যা সন্দেহভাজনের আর্থিক কার্যক্রমের বিস্তৃত পরিসর নির্দেশ করে। চেকের পরিমাণের বৈচিত্র্য থেকে বোঝা যায় যে লেনদেনগুলো একাধিক ব্যাংক ও শাখা জুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে।

বিশেষত, চেক বইগুলোতে মোট ১২৭ কোটি টাকার লেনদেনের রেকর্ড পাওয়া গেছে, যা মামলার আর্থিক দিককে নতুন আলোতে তুলে ধরেছে। এই লেনদেনগুলো কীভাবে ঘটেছে এবং কোন উদ্দেশ্যে ব্যবহার হয়েছে, তা এখনও তদন্তের অধীনে রয়েছে।

ফয়সাল করিম মাসুদ, যিনি ছাত্রলীগের প্রাক্তন নেতা হিসেবে পরিচিত, ওসমান হাদির গুলির প্রধান সন্দেহভাজন হিসেবে চিহ্নিত। গুলির ঘটনার পর থেকে তার নাম বহু তদন্তের কেন্দ্রে রয়েছে।

প্রাথমিকভাবে তদন্তকারী কর্মকর্তারা জানিয়েছিলেন যে ফয়সাল করিম সীমান্ত পার হয়ে ভারতের দিকে পলায়ন করেছে। তবে পরবর্তী তথ্যের ভিত্তিতে এই ধারণা পরিবর্তিত হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ সম্মেলনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা উল্লেখ করেছেন যে, ফয়সাল করিমের বর্তমান অবস্থান—দেশের মধ্যে নাকি বিদেশে—নির্ধারণে এখনও স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।

এ পর্যন্ত ফয়সাল করিমের মা, বাবা, স্ত্রী, শ্যালকসহ মোট দশজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের সময় তাদের কাছ থেকে কোনো ব্যবহারিক তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি।

গ্রেপ্তারের পরপরই তদন্তকারী দল তাদের জিজ্ঞাসাবাদে ফয়সাল করিমের গমনপথ বা লুকায়িত অবস্থান সম্পর্কে কোনো উল্লেখযোগ্য তথ্য পায়নি। এই পরিস্থিতি মামলার সমাধানে অতিরিক্ত জটিলতা যোগ করেছে।

আইনগত দিক থেকে, গ্রেপ্তারের পরপরই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আদালতে হাজির করা হবে। আদালত থেকে গ্রেপ্তার রিকোয়েস্টের অনুমোদন ও পরবর্তী শর্তাবলী নির্ধারণের জন্য শুনানি নির্ধারিত হয়েছে।

সিআইডি বর্তমানে চেক বইয়ের তথ্যের ভিত্তিতে আর্থিক লেনদেনের উৎস ও গন্তব্য চিহ্নিত করার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। ব্যাংক রেকর্ড, লেনদেনের সময়সীমা এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করা হবে।

তদন্তের পরিধি বিস্তৃত হওয়ায়, সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকে সহযোগিতা করতে বলা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহের জন্য আদেশ জারি করা হয়েছে। এই প্রক্রিয়ায় কোনো গোপনীয়তা লঙ্ঘন না করে তথ্য সংগ্রহের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

প্রতিবেদনটি সংবেদনশীল বিষয়ের প্রতি সতর্কতা বজায় রেখে প্রকাশ করা হয়েছে। গুলির শিকার পরিবার ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের গোপনীয়তা রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

মামলার পরবর্তী ধাপগুলোতে আদালতের রায়, আর্থিক লেনদেনের বিশদ বিশ্লেষণ এবং ফয়সাল করিমের অবস্থান নির্ধারণের জন্য অতিরিক্ত অনুসন্ধান অন্তর্ভুক্ত থাকবে। তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে সময়ে সময়ে আপডেট প্রদান করা হবে।

৯২/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: প্রথম আলো
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments