22 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeবিনোদনঅভিনেতা জেমস র্যানসোনের মৃত্যু, বয়স ৪৬, আত্মহত্যা বলে লস এঞ্জেলেস মেডিকেল এক্সামিনার...

অভিনেতা জেমস র্যানসোনের মৃত্যু, বয়স ৪৬, আত্মহত্যা বলে লস এঞ্জেলেস মেডিকেল এক্সামিনার রিপোর্ট

অভিনেতা জেমস র্যানসন, যিনি ‘দ্য ওয়্যার’, ‘ইট: চ্যাপ্টার টু’ এবং ‘দ্য ব্ল্যাক ফোন’ ছবিতে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন, ১৯ ডিসেম্বর আত্মহত্যা করে মারা গেছেন। লস এঞ্জেলেস কাউন্টি মেডিকেল এক্সামিনার কর্তৃক প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী তার মৃত্যুর কারণ আত্মহত্যা। র্যানসনের বয়স ৪৬ বছর, এবং তার মৃত্যু শিল্প জগতের এক বড় ক্ষতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

র্যানসন ২ জুন ১৯৭৯-এ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ডের বাল্টিমোরে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি গিয়র্জ ওয়াশিংটন কার্ভার সেন্টার ফর আর্টস অ্যান্ড টেকনোলজি-এ শিক্ষালাভের পর, ম্যানহাটনের স্কুল অব ভিজুয়াল আর্টসে এক বছর অধ্যয়ন করেন। এই শৈল্পিক পরিবেশই তাকে অভিনয়ের পথে অগ্রসর হতে সহায়তা করে।

তার প্রথম চলচ্চিত্র ক্রেডিট ২০০১ সালের ‘দ্য আমেরিকান অ্যাস্ট্রোনট’ থেকে শুরু হয়। তবে ২০০৩ সালে HBO-র ‘দ্য ওয়্যার’ সিরিজের দ্বিতীয় সিজনে চেস্টার ‘জিগি’ সোবাটকা চরিত্রে অভিনয় করে তিনি ব্যাপক স্বীকৃতি পান। এই সিরিজটি বাল্টিমোরের বন্দরের চারপাশে ঘোরে থাকা মাদক ব্যবসা ও অপরাধের জটিল জগৎকে তুলে ধরেছে, যেখানে র্যানসনের চরিত্রের উপস্থিতি গল্পের গভীরতা বাড়িয়ে তুলেছিল।

২০১৯ সালে র্যানসন ‘ইট: চ্যাপ্টার টু’ ছবিতে এডি ক্যাস্পব্রাকের ভূমিকায় অভিনয় করেন। এই হরর সিক্যুয়েলে প্রথম ছবির ২৭ বছর পর লসার্স ক্লাবের সদস্যরা আবার একত্রিত হয়, এবং র্যানসনের চরিত্রটি তরুণ বয়সে ভয়াবহ পেনি-সাইয়ের মুখোমুখি হওয়ার স্মৃতি বহন করে। তার সূক্ষ্ম অভিনয় দর্শকদের মধ্যে চরিত্রের ভয় ও দুর্বলতাকে স্পষ্টভাবে প্রকাশ করে।

র্যানসন ২০২১ সালের ‘দ্য ব্ল্যাক ফোন’ এবং ২০২৫ সালের ‘ব্ল্যাক ফোন ২’ ছবিতে ম্যাক্স চরিত্রে অভিনয় করেন। এই চলচ্চিত্রগুলোতে এক তরুণ ছেলেকে সাউন্ডপ্রুফ বেসমেন্টে বন্দি করা হয় এবং একটি বিচ্ছিন্ন ফোনের রিং শোনার মাধ্যমে অতীতের শিকারীদের কণ্ঠ শোনার সুযোগ পায়। র্যানসনের পারফরম্যান্স গল্পের অন্ধকারময় পরিবেশে মানবিক স্পর্শ যোগায়।

তার ক্যারিয়ার জুড়ে র্যানসন বহু টেলিভিশন ও চলচ্চিত্র প্রকল্পে অংশ নেন। ‘পোকার ফেস’, ‘সিল টিম’, ‘ডেডও্যাক্স’, ‘দ্য ফার্স্ট’, ‘মোজাইক’, ‘ইট হ্যাপেন্ড ইন এলএ’, ‘বসচ’, ‘সিনিস্টার ২’, ‘ওল্ডবয়’, ‘লো উইন্টার সান’, ‘এম্পায়ার স্টেট’, ‘ট্রেমে’, ‘সিনিস্টার’, ‘হাউ টু মেক ইট ইন আমেরিকা’, ‘হাওয়াই ফাইভ-০’, ‘জেনারেশন কিল’, ‘ল’অর্ডার’, ‘নোলা’ এবং ‘থার্ড ওয়াচ’ সহ বিভিন্ন ধারার কাজের মাধ্যমে তিনি বহুমুখী অভিনয় দক্ষতা প্রদর্শন করেছেন।

র্যানসনের অভিনয় শৈলী তার চরিত্রকে স্বাভাবিক ও বাস্তবিকভাবে উপস্থাপন করার ক্ষমতায় গড়ে উঠেছে। তিনি প্রায়শই সাপোর্টিং রোলের মাধ্যমে গল্পের মূল কাঠামোকে সমৃদ্ধ করেন, যা সমালোচক ও দর্শকদের কাছ থেকে প্রশংসা অর্জন করেছে। তার কাজের পরিসর ড্রামা, হরর, অ্যাকশন এবং অপরাধ থ্রিলার পর্যন্ত বিস্তৃত, যা তাকে সমসাময়িক টেলিভিশন ও সিনেমার এক গুরুত্বপূর্ণ সত্তা বানিয়েছে।

র্যানসনের অকাল মৃত্যু শিল্প জগতে শূন্যতা সৃষ্টি করেছে। তার ভক্ত ও সহকর্মীরা তার স্মৃতিকে সম্মান জানাতে তার চলচ্চিত্র ও সিরিজগুলো পুনরায় দেখার পরামর্শ দিচ্ছেন। তার অবদানকে স্মরণ করে, আমরা তার অভিনয়কে পুনরায় উপভোগ করে এই ক্ষতি কিছুটা কমাতে পারি।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: Hollywood Reporter – Movies
বিনোদন প্রতিবেদক
বিনোদন প্রতিবেদক
AI-powered বিনোদন content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments