ঢাকা শহরের এক আদালত আজ আবদুল হান্নানকে জামিন প্রদান করেছে; তিনি ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শারিফ ওসমান হাদির গুলিবিদ্ধ ঘটনার সঙ্গে যুক্ত মোটরসাইকেলের মালিকানা সন্দেহে গ্রেফতার হন।
ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মি. হাসান শাহাদত বেল আবেদন শোনার পর জামিনের আদেশ দেন। আদালতে উপস্থাপিত বেল পিটিশনের ভিত্তিতে তিনি হান্নানের মুক্তি অনুমোদন করেন।
পুলিশের জমা দেওয়া রিপোর্টে উল্লেখ আছে যে গুলিতে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল হান্নানের নামে নিবন্ধিত নয়। এই তথ্যের ভিত্তিতে আদালত জামিন অনুমোদন করেছে।
হান্নানকে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (RAB) ১৩ ডিসেম্বর গুলিবিদ্ধ হাদির ঘটনার পর গ্রেফতার করে পল্টন মডেল থানা‑এ হস্তান্তর করে।
পরের দিন, ১৪ ডিসেম্বর, তাকে সেকশন‑৫৪, দণ্ডবিধি অনুসারে আদালতে হাজির করা হয় এবং গুলির তদন্তের জন্য তিন দিনের রিম্যান্ডে রাখা হয়।
শারিফ ওসমান হাদি, ঢাকা‑৮ থেকে সংসদীয় প্রার্থী, ১২ ডিসেম্বর পল্টন এলাকায় গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর মাথা আঘাত পান। গুলির পর তিনি ডিএমসি হাসপাতাল ও এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা গ্রহণ করেন।
প্রাথমিক সেবা শেষে হাদিকে ১৫ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুরে উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ারলিফট করা হয়। সিঙ্গাপুরে পৌঁছে তিনি বিশেষায়িত সেবা পান।
সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে ১৮ ডিসেম্বর রাতের দিকে হাদির মৃত্যু ঘোষণা করা হয়। তার দেহ ১৯ ডিসেম্বর বাংলাদেশে ফিরে আসে।
একজন বিশ্লেষক মন্তব্য করেন, সমালোচনা কেবল স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্যই নয়, সুশাসনের জন্যও অপরিহার্য। এই বক্তব্যটি বর্তমান মামলার স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে।
আদালত হান্নানের জামিনের পরবর্তী শুনানির তারিখ নির্ধারণ করবে এবং গুলির সম্পূর্ণ তদন্তের জন্য রিম্যান্ডের ফলাফল উপস্থাপন করা হবে। তদন্তে মোটরসাইকেলের প্রকৃত মালিক ও গুলিবিদ্ধের পেছনের সংগঠন উন্মোচন করা গুরুত্বপূর্ণ।
প্রাসঙ্গিক আইনগত প্রক্রিয়া চলমান থাকায় সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা করতে এবং সংবেদনশীল বিষয় নিয়ে অতিরিক্ত মন্তব্য থেকে বিরত থাকতে অনুরোধ করা হচ্ছে।
এই মামলায় রেকর্ড করা সব তথ্য আইনগত নথি ও সরকারি সূত্রের ওপর ভিত্তি করে প্রকাশ করা হয়েছে; কোনো অনুমান বা অতিরিক্ত বিশ্লেষণ অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।



