22 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeখেলাধুলাঅ্যাডিলেডে অস্ট্রেলিয়া ৮২ রানে ইংল্যান্ডকে পরাজিত করে অশেস সিরিজে ৩-০ নেতৃত্ব নিশ্চিত

অ্যাডিলেডে অস্ট্রেলিয়া ৮২ রানে ইংল্যান্ডকে পরাজিত করে অশেস সিরিজে ৩-০ নেতৃত্ব নিশ্চিত

অস্ট্রেলিয়ার গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত টেস্ট সিরিজের একাদশ দিনে ইংল্যান্ডের দল ৮২ রানের পার্থক্যে হেরে অশেস ট্রফি রক্ষা করে এবং সিরিজে ৩-০ অগ্রগতি পায়। এই জয় অস্ট্রেলিয়াকে অশেসের শিরোপা রক্ষার পথে অপ্রতিরোধ্য অবস্থানে নিয়ে আসে।

সিরিজের প্রথম তিনটি টেস্টে অস্ট্রেলিয়া ধারাবাহিকভাবে জয়লাভ করে, যার ফলে ইংল্যান্ডের অশেস জয়ের স্বপ্ন দ্রুতই ভেঙে পড়ে। অস্ট্রেলিয়ার অডিলেডে ৮২ রানের জয় তাদের অশেস রিটেইন করার জন্য প্রয়োজনীয় ত্রয়ী জয় নিশ্চিত করে।

ইংল্যান্ডের অস্ট্রেলিয়ায় টেস্ট রেকর্ডও তীব্রভাবে খারাপ। ২০১৩/১৪ সালের অশেসে ৫-০ শ্বেতধোয়া পরবর্তী, দলটি মোট ১৮টি টেস্টের মধ্যে ১৬টি হারিয়েছে, কোনো জয় অর্জন করতে পারেনি। এই ধারাবাহিক পরাজয় দলকে মানসিকভাবে কঠিন অবস্থায় ফেলেছে।

ইংল্যান্ডের ক্যাপ্টেন বেন স্টোকস ম্যাচের পরের প্রেস কনফারেন্সে প্রকাশ করেছেন যে এই পরাজয় তার জন্য অত্যন্ত হতাশাজনক। তিনি উল্লেখ করেছেন, “এটা অবশ্যই দুঃখজনক” এবং সিরিজের লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থতা নিয়ে গভীর অনুশোচনা প্রকাশ করেছেন।

স্টোকস আরও জানিয়েছেন যে অস্ট্রেলিয়ায় বাকি দুইটি টেস্ট, মেলবোর্ন ও সিডনি, এখনও খেলোয়াড়দের জন্য বড় সুযোগ বহন করে। তিনি বলছেন, “আমাদের এখনও দুইটি ম্যাচ বাকি আছে, এবং ব্যক্তিগত ও দলীয় দৃষ্টিকোণ থেকে অনেক কিছু অর্জনের আছে”।

ইংল্যান্ডের পারফরম্যান্স পূর্বের টেস্টগুলোতে, পার্থ এবং ব্রিসবেনে ধারাবাহিকভাবে হেরে, অডিলেডকে সিরিজের শেষ সুযোগ হিসেবে দেখেছে। তবে অডিলেডে তাদের আত্মবিশ্বাসের অভাব এবং গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে সঠিক সিদ্ধান্ত না নেওয়া তাদেরকে বড় ক্ষতিতে ফেলেছে।

ব্রুক এবং পোপের শট-চয়েসে ত্রুটি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। হ্যারি ব্রুক ও অলি পোপের অপ্রয়োজনীয় শটের ফলে দ্রুত উইকেট হারিয়ে দলকে চাপের মধ্যে ফেলেছে। এই শটগুলো ইংল্যান্ডের ব্যাটিং লাইনআপকে অস্থিতিশীল করে তুলেছে।

ব্রুকের দুটো গুরুত্বপূর্ণ ক্যাচ ড্রপও ম্যাচের ফলাফলে প্রভাব ফেলেছে। প্রথম ইনিংসে উসমান খাওয়াজা যখন মাত্র পাঁচ রান করছিল, তখন ব্রুক ক্যাচ মিস করেন; দ্বিতীয় ইনিংসে ট্র্যাভিস হেড যখন ৯৯ রানে পৌঁছাচ্ছিল, তখন আবার ক্যাচ না ধরার ফলে ইংল্যান্ডের সুযোগ হারায়।

দ্বিতীয় দিনের বোলিং পারফরম্যান্সেও ইংল্যান্ডের দুর্বলতা স্পষ্ট ছিল। বোলাররা সংক্ষিপ্ত ও চওড়া লাইন দিয়ে শটের সুযোগ তৈরি করেন, ফলে অস্ট্রেলিয়ার টেইল-এন্ড ব্যাটসম্যানরা সহজে ৩৭১ রান সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়। এই রেটিং বোলিং আক্রমণ ইংল্যান্ডের আক্রমণাত্মক সম্ভাবনাকে সীমাবদ্ধ করে।

স্টোকস স্বীকার করেছেন যে অস্ট্রেলিয়ার দল ইংল্যান্ডের চেয়ে বেশি দক্ষতা ও শৃঙ্খলা প্রদর্শন করেছে। তিনি উল্লেখ করেন, “অস্ট্রেলিয়ার খেলোয়াড়রা আমাদের চেয়ে বেশি ভালভাবে খেলেছে” এবং এই পার্থক্যই ফলাফলে প্রতিফলিত হয়েছে।

সিরিজের শেষ দুই টেস্ট মেলবোর্ন ও সিডনিতে অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে ইংল্যান্ডের জন্য পুনরুদ্ধারের সুযোগ রয়েছে। যদিও শিরোপা জয় এখন দূরে, তবে স্টোকস এবং তার দল এখনও ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স ও ভবিষ্যৎ টুর্নামেন্টের জন্য আত্মবিশ্বাস পুনর্গঠন করতে চায়।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: Cricbuzz
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
AI-powered খেলাধুলা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments