20 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeখেলাধুলাঅস্ট্রেলিয়া ১১ দিনে তৃতীয় টেস্ট জিতে অ্যাশেস রিটেইন করল

অস্ট্রেলিয়া ১১ দিনে তৃতীয় টেস্ট জিতে অ্যাশেস রিটেইন করল

অস্ট্রেলিয়া ১১ দিনের মধ্যে তৃতীয় টেস্ট জয় করে অ্যাশেস সিরিজের অধিকার রক্ষা করেছে। ম্যাচটি অডিলেড ওভালে অনুষ্ঠিত হয় এবং অস্ট্রেলিয়ার শেষ চারটি উইকেট নেয়ার মাধ্যমে তারা ৮২ রান পার্থক্যে বিজয় নিশ্চিত করে।

ইংল্যান্ডের শেষ প্রতিরোধ দিন পাঁচের দ্বিতীয় সেশনে শেষ হয়, যখন স্কট বোল্যান্ড জোশ টংকে আউট করে দলকে জয় নিশ্চিত করে। এই উইকেটটি ইংল্যান্ডের ৩৫২ রান লক্ষ্যকে থামিয়ে দেয়, যা ৪৩৫ রান চাহিদার তুলনায় যথেষ্ট কম।

অস্ট্রেলিয়ার ক্যাপ্টেন প্যাট কমিন্স জয়কে “খুবই চমৎকার” বলে প্রকাশ করেছেন। তিনি যোগ করেন, “আজকের ম্যাচ সহজ ছিল না, তবে আমরা কাজ শেষ করেছি।” তিনি দলের প্রশিক্ষণ ও পরিশ্রমের কথা উল্লেখ করে বলেছিলেন, “গত দুই মাসের পরিশ্রমের ফল আজকের মতো দিনেই দেখা যায়।”

কমিন্স আরও বলেন, “এমন দিনগুলোতে আমরা আমাদের সেরা পারফরম্যান্স দেখাই। পুরনো ধাঁচের পরিশ্রমই আমাদের শক্তি, এবং আমি সব খেলোয়াড়ের কঠোর পরিশ্রমকে প্রশংসা করি।” তার এই মন্তব্যগুলো অস্ট্রেলিয়ার জয়কে আরও গর্বিত করেছে।

ইংল্যান্ডকে সিরিজ চালিয়ে রাখতে জয় দরকার ছিল, কারণ তারা পার্থে ও ব্রিসবেনে আট উইকেটের বড় পরাজয় ভোগ করেছিল। এখন মেলবোর্ন ও সিডনিতে বাকি দুই টেস্ট বাকি রয়েছে, তবে তৃতীয় টেস্টে পরাজয় তাদের শীর্ষে ফিরে আসার সম্ভাবনা কমিয়ে দেয়।

ইংল্যান্ডের স্পিনার নাথান লায়ন হ্যামস্ট্রিং আঘাতের কারণে মাঠ ছেড়ে যায়, যা তাদের আক্রমণাত্মক পরিকল্পনায় বড় ফাঁক সৃষ্টি করে। লায়নের অনুপস্থিতি টিমের ব্যালিং ব্যালেন্সকে প্রভাবিত করে এবং শেষ পর্যন্ত স্কোরে প্রভাব ফেলে।

ইংল্যান্ডের ৪৩৫ রান চাহিদা টেস্ট ইতিহাসে সর্বোচ্চ চাহিদা, যেখানে কোনো দল ৪১৮ রানের বেশি করে জয় পায়নি। তবে ইংল্যান্ড ৩৫২ রান পর্যন্ত পৌঁছিয়ে কিছুটা প্রতিরোধ দেখায়, যদিও শেষ পর্যন্ত তা যথেষ্ট না হয়।

অস্ট্রেলিয়ার দ্রুত জয় সিরিজকে ১১ দিনে শেষ করে, যা ১৯২১ সালের পর থেকে দ্বিতীয় দ্রুততম সমাপ্তি। এই দ্রুত সমাপ্তি ইংল্যান্ডের “বাজবল” নামে পরিচিত আক্রমণাত্মক শৈলীর দুর্বলতা প্রকাশ করে।

ইংল্যান্ডের ক্যাপ্টেন বেন স্টোকস জয়ের পরাজয়কে “অত্যন্ত হতাশাজনক” বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “সবারই আঘাত হয়েছে এবং আমরা খুবই আবেগপূর্ণ। যদিও ব্যথা আছে, আমরা থামব না।” স্টোকসের এই মন্তব্যগুলো দলের মানসিকতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ।

স্টোকস আরও যোগ করেন, “এই সপ্তাহে আমি যে লড়াই দেখতে চেয়েছিলাম, তা শেষ পর্যন্ত দেখা গিয়েছে। আমরা এই ম্যাচ থেকে অনেক কিছু শিখতে পারি।” তিনি ইংল্যান্ডের পারফরম্যান্সে ইতিবাচক দিকগুলোকে তুলে ধরতে চান।

ইংল্যান্ডের তিনটি টেস্টে পরাজয় পূর্বের হাইপের সঙ্গে তুলনায় সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র উপস্থাপন করে। সিরিজের শুরুর সময়ে যে আত্মবিশ্বাসের কথা শোনা গিয়েছিল, তা এখন বাস্তবতা থেকে দূরে সরে গেছে।

অস্ট্রেলিয়ার জয় শুধু স্কোরের মাধ্যমে নয়, দলের ঐক্য ও ধারাবাহিক পরিশ্রমের ফল। ক্যাপ্টেনের উক্তি এবং দলের সমন্বয় এই জয়ের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করেছে।

সিরিজের বাকি দুই টেস্ট মেলবোর্ন ও সিডনিতে অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে ইংল্যান্ডের পুনরুদ্ধার ও অস্ট্রেলিয়ার ধারাবাহিকতা পরীক্ষা হবে। উভয় দলই এই ম্যাচগুলোতে নিজেদের শক্তি প্রমাণ করার সুযোগ পাবে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
AI-powered খেলাধুলা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments