27 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধমার্কিন ন্যায়বিচার বিভাগের ওয়েবসাইট থেকে এপস্টেইন সম্পর্কিত ১৬টি ফাইল হঠাৎ সরিয়ে নেওয়া...

মার্কিন ন্যায়বিচার বিভাগের ওয়েবসাইট থেকে এপস্টেইন সম্পর্কিত ১৬টি ফাইল হঠাৎ সরিয়ে নেওয়া হয়েছে

ফেডারেল ন্যায়বিচার বিভাগের সরকারি ওয়েবসাইটে শুক্রবার এপস্টেইন মামলায় সংশ্লিষ্ট ১৬টি নথি প্রকাশের পর মাত্র এক দিনেই সেগুলো পুনরায় মুছে ফেলা হয়। এই নথিগুলো জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছিল, তবে প্রকাশের পরপরই সাইট থেকে অপসারণ করা হয়।

প্রকাশিত নথিগুলো মোট ২০,০০০ পৃষ্ঠারও বেশি বিশাল ডকুমেন্টের অংশ, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের নামসহ বিভিন্ন উচ্চপদস্থ ব্যক্তির উল্লেখ পাওয়া যায়। এক অংশে এপস্টেইন নিজে দাবি করে বলে উল্লেখ আছে যে, “আমি জানি ডোনাল্ড কতটা নোংরা”।

এই নথিগুলোর আগে, একই বিভাগে এপস্টেইন বিষয়ক ৩,৯৬৫টি ফাইল প্রকাশ করা হয়েছিল এবং অতিরিক্ত নথি প্রকাশের পরিকল্পনা জানানো হয়েছিল। তবে নতুন ১৬টি ফাইলের প্রকাশের পরই সেগুলো প্রত্যাহার করা হয়, ফলে অতিরিক্ত তথ্যের প্রকাশে বাধা সৃষ্টি হয়েছে।

ফেডারেল তদন্তকারী সংস্থাগুলো বর্তমানে এপস্টেইন সম্পর্কিত অপরাধের বিস্তৃত পরিসর তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। ফাইলগুলোতে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অতিরিক্ত সাক্ষী ও আর্থিক লেনদেনের বিশ্লেষণ করা হতে পারে, যা মামলার জটিলতা বাড়িয়ে তুলতে পারে।

মামলাটির মূল দিকগুলোতে এপস্টেইনের যৌন শোষণ, মানব পাচার এবং উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের সঙ্গে তার সংযোগ অন্তর্ভুক্ত। ফাইলগুলোতে উল্লেখিত প্রেসিডেন্টের নামের পাশাপাশি অন্যান্য রাজনৈতিক ও আর্থিক ব্যক্তিত্বের নামও উঠে এসেছে, যা তদন্তের পরিধি বিস্তৃত করতে পারে।

অধিক তথ্যের প্রকাশে বাধা সত্ত্বেও, ফেডারেল আদালত ইতিমধ্যে এপস্টেইনের সহকর্মী ও সহ-অপরাধীদের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি আদেশ জারি করেছে। ভবিষ্যতে অতিরিক্ত নথি প্রকাশের জন্য নতুন আবেদন দাখিলের সম্ভাবনা রয়েছে, যা আদালতের অনুমোদন পেলে জনসাধারণের কাছে প্রকাশিত হতে পারে।

বিচারিক প্রক্রিয়ার অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে এপস্টেইন মামলায় সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নতুন অভিযোগও দায়ের হতে পারে। ফেডারেল প্রোসিকিউটররা নথিগুলো বিশ্লেষণ করে সম্ভাব্য অপরাধের নতুন দিক উন্মোচন করার পরিকল্পনা করছে।

এই ধরনের সংবেদনশীল তথ্যের প্রকাশের ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি। নথিগুলোর মধ্যে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও গোপন তথ্য থাকতে পারে, যা প্রকাশের ফলে আইনি জটিলতা বাড়তে পারে। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মেনে তথ্যের ব্যবহার সীমিত রাখা উচিত।

মামলার পরবর্তী ধাপগুলোতে ফেডারেল আদালতে অতিরিক্ত নথি উপস্থাপনের জন্য শুনানি নির্ধারিত হতে পারে, এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে তাদের রক্ষা করার সুযোগ প্রদান করা হবে। এপস্টেইন সংক্রান্ত তদন্তের ফলাফল কীভাবে আইনগত প্রয়োগে রূপ নেবে, তা সময়ের সাথে স্পষ্ট হবে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments