22 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধমিরপুরে পুলিশ ও এনসিপি নেতাকর্মীদের ওপর হামলা, আহতদের সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে পাঠানো

মিরপুরে পুলিশ ও এনসিপি নেতাকর্মীদের ওপর হামলা, আহতদের সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে পাঠানো

ঢাকার মিরপুরে শনিবার (২০ ডিসেম্বর) স্থানীয় এনসিপি নেতাকর্মীরা উপস্থিত থাকাকালে পুলিশ ও আওয়ামী মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্মলীগের নেত্রী হোসনোরা সাদিকের বাড়িতে গিয়ে একটি সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা এবং এনসিপি নেতাদের মধ্যে মুখোমুখি হওয়ার ফলে হিংসাত্মক মোকাবেলা শুরু হয়।

সকালবেলা হোসনোরা সাদিকের বাড়িতে গিয়ে পুলিশ দলটি এনসিপি নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার উদ্দেশ্যে গিয়েছিল। এই সময়ে স্থানীয় এনসিপি নেতাকর্মীরা ইতিমধ্যে বাড়ির আশেপাশে উপস্থিত ছিলেন এবং তাদের উপস্থিতি পুলিশকে অপ্রত্যাশিত করে দেয়।

পুলিশের উপস্থিতি দেখে এনসিপি নেতারা অবিলম্বে প্রতিক্রিয়া জানায় এবং দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র তর্ক শুরু হয়। তর্কের উত্তাপে উভয় দিকের সদস্যদের মধ্যে শারীরিক সংঘর্ষের ঝড় তোলার ফলে কয়েকজন আহত হন।

হামলার ফলে পুলিশ সদস্য এবং এনসিপি নেতাকর্মীদের মধ্যে আঘাতের সংখ্যা বাড়ে। আহতদের মধ্যে কিছু ব্যক্তি গম্ভীর অবস্থায় ছিলেন এবং তৎক্ষণাৎ চিকিৎসা সেবা প্রয়োজন হয়।

আহতদের অবস্থা স্থিতিশীল করার জন্য উপস্থিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দ্রুত সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের দিকে রওনা হয়। আহতদের ট্রান্সফার করার সময় স্থানীয় পরিবহন ব্যবস্থা ব্যবহার করা হয় এবং হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়।

হাসপাতালে ভর্তি হওয়া আহতরা জানিয়েছেন যে স্থানীয় বিএনপি নেতা হারুন ও কামাল এই হামলার পরিকল্পনা ও নেতৃত্বে যুক্ত ছিলেন। তারা দাবি করেন যে এই দুই নেতার নির্দেশে এনসিপি কর্মীরা হিংসাত্মক কাজটি সম্পন্ন করেছে।

অতিরিক্তভাবে, কিছু আহত ব্যক্তি উল্লেখ করেছেন যে সাবেক আওয়ামী লীগ কর্মীরাও এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তবে এই অভিযোগের পক্ষে কোনো লিখিত প্রমাণ বা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ এখনো দাখিল করা হয়নি।

হামলার পরপরই স্থানীয় পুলিশ স্টেশন থেকে ঘটনাস্থল পরিষ্কার করা হয় এবং আহতদের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা হয়। তবে এখন পর্যন্ত কোনো FIR (প্রথম তথ্য প্রতিবেদন) দাখিল করা হয়নি এবং আইনি দায়ের প্রক্রিয়া শুরু হয়নি।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উচ্চতর কর্মকর্তারা ঘটনাটির পূর্ণাঙ্গ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। তদন্তে উপস্থিত সকল পক্ষের বিবরণ সংগ্রহ, ভিডিও ও অডিও রেকর্ডিং পরীক্ষা এবং স্থানীয় নিরাপত্তা ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, তদন্তের ফলাফল অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অপরাধমূলক অভিযোগ দায়ের করা হবে। এছাড়া, আহতদের চিকিৎসা খরচ ও ক্ষতিপূরণ সংক্রান্ত বিষয়গুলোও আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সমাধান করা হবে।

এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় প্রশাসন এবং নিরাপত্তা বাহিনীর দায়িত্বশীলরা জনসাধারণকে সতর্ক করেছেন যে, কোনো ধরনের রাজনৈতিক সংঘর্ষে হিংসা ব্যবহার করা আইনগতভাবে নিষিদ্ধ এবং এর জন্য কঠোর শাস্তি আরোপ করা হবে। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা রোধে নিরাপত্তা ব্যবস্থার শক্তিকরণ এবং রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে শান্তিপূর্ণ সংলাপ বজায় রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments