27 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধবহরুঙ্গামারী থানায় 'আই কিল ইউ' চিঠি পাওয়া জামায়াত কর্মীর বাড়িতে

বহরুঙ্গামারী থানায় ‘আই কিল ইউ’ চিঠি পাওয়া জামায়াত কর্মীর বাড়িতে

গত শুক্রবার, ১৯ ডিসেম্বর রাতের দিকে বহরুঙ্গামারী থানা-এ একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) দাখিল করা হয়। দাখিলকারী হলেন শাহ আলম, যিনি জামায়াত ইসলামের সক্রিয় কর্মী এবং স্থানীয় ব্যবসায়ী। তার বাড়ির বারান্দায় ‘আই কিল ইউ’ লেখা সাদা কাগজের চিঠি পাওয়া যায়, যা পরিবারে তীব্র আতঙ্ক সৃষ্টি করে।

শাহ আলম হলেন পাথরডুবি উপজেলার পশ্চিম পাথরডুবি গ্রাম থেকে, মৃত আকবর হোসেনের পুত্র। তিনি স্থানীয় জামায়াতের একজন কর্মী, পাশাপাশি একটি বেসরকারি মাদ্রাসা পরিচালনা করেন এবং ব্যবসা-ব্যাপারেও জড়িত। বর্তমানে তিনি সরকারি কলেজ রোডের কাছাকাছি, খামার এলাকায় একটি বাড়ির নিচতলায় ভাড়া বাসা করে থাকেন।

বিবরণ অনুযায়ী, শ্রীমতী মমতাজ বেগম, শাহ আলমের স্ত্রী, শুক্রবার সন্ধ্যায় বাড়ির বারান্দায় একটি সাদা কাগজের টুকরো দেখেন। কাগজে বড় অক্ষরে ‘আই কিল ইউ’ লেখা ছিল, যা দেখে পরিবারে তৎক্ষণাৎ ভয় ও উদ্বেগের স্রোত বয়ে যায়। চিঠির উপস্থিতি নিয়ে সন্দেহজনক ঘটনার আশঙ্কা বাড়ে, ফলে রাতেই তারা থানায় অভিযোগ জানায়।

শাহ আলম জানান, শুক্রবার বিকেলে তিনি বন্ধুদের সঙ্গে কুড়িগ্রামের ইজতেমা অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে নাগেশ্বরী উপজেলায় পৌঁছান। সেখানে পৌঁছে তিনি তার স্ত্রীর কাছ থেকে চিঠির বিষয়টি জানেন। ইজতেমা না গিয়ে তিনি তৎক্ষণাৎ বাড়ি ফিরে থানায় জিডি দাখিল করেন।

পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে শাহ আলমের উদ্বেগ স্পষ্ট। তিনি উল্লেখ করেন, চিঠি পাওয়ার পর থেকে পরিবারটি চরম নিরাপত্তাহীনতার অনুভূতি পাচ্ছে এবং ভবিষ্যতে কোনো হুমকি ঘটতে পারে বলে ভয় পাচ্ছেন। এই উদ্বেগের কথা তিনি থানার কর্মকর্তাদের জানিয়ে দেন।

বহরুঙ্গামারী থানা-র ওসি আজিম উদ্দিন ঘটনাটিকে গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণের কথা জানান। তিনি উল্লেখ করেন, চিঠির বিষয়টি তদন্তের অধীনে রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা দ্রুত নেওয়া হবে।

থানার তদন্ত দল চিঠির উৎস ও সম্ভাব্য অপরাধীর পরিচয় জানার জন্য প্রাথমিক অনুসন্ধান চালু করেছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও পারিবারিক সূত্র থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে এবং চিঠির কাগজের ধরন, লেখার স্টাইল ইত্যাদি বিশ্লেষণ করা হবে।

আইনি দৃষ্টিকোণ থেকে, ‘আই কিল ইউ’ চিঠি হুমকি প্রদান হিসেবে বিবেচিত হতে পারে এবং সংশ্লিষ্ট ধারা অনুযায়ী অপরাধীকে গ্রেফতার করা সম্ভব। ওসি আজিম উদ্দিন উল্লেখ করেন, প্রমাণ সংগ্রহের পর যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে।

এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থার পুনর্বিবেচনা করা হচ্ছে। থানা-র অতিরিক্ত প্যাডকোর্স ও গার্ডের উপস্থিতি বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে সংশ্লিষ্ট পরিবার ও আশেপাশের বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।

শাহ আলমের পরিবার বর্তমানে থানা-র সুরক্ষার আওতায় রয়েছে এবং তারা অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা চায়। পরিবারটি আশাবাদী যে দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে দায়ী ব্যক্তির সনাক্তকরণ হবে এবং আইনের শাসন নিশ্চিত হবে।

এই ঘটনা স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে এবং ভবিষ্যতে তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে আপডেট প্রদান করা হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে নতুন কোনো তথ্য প্রকাশিত হলে তা জনসাধারণের সঙ্গে শেয়ার করা হবে।

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments