27 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeব্যবসা৩১ ডিসেম্বর শেষ হবে অনলাইন আয়কর রিটার্ন জমা করার শেষ তারিখ

৩১ ডিসেম্বর শেষ হবে অনলাইন আয়কর রিটার্ন জমা করার শেষ তারিখ

বছরের শেষ দিন, ৩১ ডিসেম্বর, করদাতাদের জন্য বার্ষিক আয়কর রিটার্ন দাখিলের চূড়ান্ত সীমা নির্ধারিত হয়েছে। একবারের সময় বাড়ানোর পর এই তারিখে সকল ট্যাক্সপেয়ারকে তাদের আয় ও ব্যয়ের বিবরণী সিস্টেমে আপলোড করতে হবে।

বাংলাদেশে বর্তমানে প্রায় এক কোটি পনেরো লাখের বেশি ট্যাক্স আইডেন্টিফিকেশন নম্বর (টিআইএন)ধারী ব্যক্তি রয়েছে, যাদের আয়করযোগ্য আয় থাকলে রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক। একবারের বর্ধিত সময়সীমা শেষ হওয়ার পর, রিটার্ন জমা দেওয়ার জন্য মাত্র দশ দিন বাকি রয়েছে।

এই বছর থেকে বেশিরভাগ করদাতাকে অনলাইন পোর্টাল ব্যবহার করে রিটার্ন দাখিল করতে হবে; শুধুমাত্র কিছু নির্দিষ্ট ব্যতিক্রমী ক্ষেত্রে কাগজে জমা দেওয়া সম্ভব। অনলাইন পদ্ধতি গ্রহণের ফলে সপ্তাহান্ত বা সরকারি ছুটির দিনেও বাড়ি থেকে কাজ সম্পন্ন করা যাবে, যা সময়সূচি অনুযায়ী কাজ করা সহজ করে।

শেষ মুহূর্তে রিটার্ন জমা দিলে বিভিন্ন ঝুঁকি বাড়ে। তাড়াহুড়ো করে আয়-ব্যয়, করছাড় ও উৎসে করের হিসাব মিলিয়ে নিলে ভুলের সম্ভাবনা বেড়ে যায়, ফলে সংশোধনের জন্য অতিরিক্ত সময় ও শ্রম ব্যয় করতে হয়।

অন্যদিকে, শেষ সময়ে প্রয়োজনীয় সনদ, রসিদ ও অন্যান্য নথি সংগ্রহে দেরি হতে পারে। সম্পূর্ণ কাগজপত্র না থাকলে রিটার্নের সঠিকতা প্রশ্নবিদ্ধ হয় এবং পরবর্তী অডিটে সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে।

অনলাইন পোর্টালের ব্যবহারকারী সংখ্যা শেষ দুই-তিন দিনে হঠাৎ বাড়লে সিস্টেমে অতিরিক্ত লোড পড়ে। লগইন ব্যর্থতা, ডেটা সাবমিশন ত্রুটি ও পেজ ক্র্যাশের সম্ভাবনা বাড়ে, যা সময়মতো রিটার্ন জমা দিতে বাধা সৃষ্টি করে।

সময়সীমা অতিক্রম করলে জরিমানা আরোপের পাশাপাশি অতিরিক্ত প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হতে হয়। দেরি করা রিটার্নের জন্য আর্থিক শাস্তি ও পুনরায় যাচাইয়ের প্রয়োজনীয়তা উভয়ই করদাতার জন্য অতিরিক্ত বোঝা হয়ে দাঁড়ায়।

প্রাথমিকভাবে রিটার্ন জমা দিলে কর পরিকল্পনার সুবিধা সর্বোচ্চভাবে ব্যবহার করা যায়। বৈধ করছাড়, সমন্বয় ও রিফান্ডের হিসাব আগে করে নিলে আর্থিক সুবিধা বাড়ে, যা দেরি করলে হারিয়ে যায়।

যদি রিটার্নে ভুল ধরা পড়ে, সংশোধন প্রক্রিয়ায় অতিরিক্ত সময় ও দপ্তরে ঘোরা প্রয়োজন হয়। শেষ মুহূর্তে করা ভুলের ফলে পুনরায় সংশোধন করতে হলে অতিরিক্ত খরচ ও সময় ব্যয় করতে হয়।

শেষ মুহূর্তের দৌড়ঝাঁপ মানসিক চাপ বাড়ায়। অপ্রয়োজনীয় উদ্বেগ ও চাপের ফলে কাজের গুণগত মান হ্রাস পায় এবং করদাতার সামগ্রিক সুস্থতায় প্রভাব ফেলে।

রিটার্ন দাখিলের জন্য প্রথমে সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইটে নিবন্ধন করতে হবে। নিবন্ধন সম্পন্ন হলে পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করে ব্যক্তিগত তথ্য ও আর্থিক বিবরণী প্রবেশ করিয়ে রিটার্ন জমা দেওয়া যায়।

অনলাইন রিটার্নে কোনো কাগজপত্র আপলোডের প্রয়োজন নেই; তবে সব প্রাসঙ্গিক নথি সংরক্ষণ করে রাখা উচিত। ভবিষ্যতে অডিট বা কোনো সরকারি চাহিদা পূরণের জন্য কাগজের রেকর্ড দরকার হতে পারে।

পেমেন্টের পদ্ধতি ব্যাপকভাবে উপলব্ধ: ব্যাংক ট্রান্সফার, ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড, বিকাশ, রকেট, নগদ এবং অন্যান্য ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেমের মাধ্যমে কর পরিশোধ করা যায়। এই বিকল্পগুলো ব্যবহার করে বাড়ি থেকে সহজে পেমেন্ট সম্পন্ন করা সম্ভব।

সারসংক্ষেপে, ৩১ ডিসেম্বরের আগে রিটার্ন জমা দিলে ভুলের সম্ভাবনা কমে, সিস্টেমের চাপ কমে এবং আর্থিক শাস্তি এড়ানো যায়। সময়মতো নিবন্ধন, নথি প্রস্তুতি এবং পেমেন্ট পদ্ধতি নির্ধারণ করে পরিকল্পিতভাবে রিটার্ন দাখিল করা সর্বোত্তম কৌশল।

৯২/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: প্রথম আলো
ব্যবসা প্রতিবেদক
ব্যবসা প্রতিবেদক
AI-powered ব্যবসা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments