20 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিবেআইনি ধর্মঘটে অংশগ্রহণের জন্য কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড

বেআইনি ধর্মঘটে অংশগ্রহণের জন্য কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড

বাংলাদেশ শ্রম আইনে সংশোধনী আনা হয়েছে। এই সংশোধনী অনুযায়ী, বেআইনি ধর্মঘট বা লকআউটে অংশ নেওয়া বা প্ররোচনা দেওয়ার জন্য কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের বিধান যুক্ত করা হয়েছে।

এই সংশোধনী অনুসারে, কোনো শ্রমিক যদি বেআইনি ধর্মঘট শুরু করে, তবে তার তিন মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ ২০ হাজার থেকে অনধিক ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে।

সংশোধিত শ্রম আইনে বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি যদি বেআইনি ধর্মঘট বা লকআউটে অংশগ্রহণের জন্য অর্থ খরচ বা সরবরাহ করেন, অথবা কোনোভাবে ধর্মঘটকে এগিয়ে নিতে কোনো ব্যক্তিকে প্ররোচিত করেন, তবে তার তিন মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড, অন্যূন ২০ হাজার থেকে অনধিক ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড কিংবা উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় হবেন।

এছাড়াও, কোনো ব্যক্তি ঢিমেতালের কাজে অংশগ্রহণ করলে বা অন্য কাউকে প্ররোচিত বা উৎসাহিত করলে অথবা এমন কাজকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য কোনো কাজ করলে, তার তিন মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা অন্যূন ২০ হাজার থেকে অনধিক ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় হবেন।

শ্রম আইনে আরও বলা হয়েছে, অ-রেজিস্ট্রিকৃত অথবা রেজিস্ট্রেশন বাতিল হয়েছে—এমন কোনো ট্রেড ইউনিয়নের কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ বা উৎসাহিত করলে, অথবা এর তহবিলের জন্য সদস্য চাঁদা ছাড়া অন্য কোনো চাঁদা আদায় করলে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি দুই হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হবেন।

অধ্যাদেশে কর্মজগতে ও কর্মস্থলে সহিংসতা ও হয়রানির বিরুদ্ধে ব্যক্তির দায়িত্বের পাশাপাশি মালিক, নিয়োগকর্তা ও কর্তৃপক্ষের দায়িত্বের কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। তাদের নিশ্চিত করতে হবে যেন কর্মক্ষেত্রের পরিবেশ বৈরী না হয়।

মালিক ও কর্তৃপক্ষকে কর্মস্থলে যৌন হয়রানি ও সহিংসতা বন্ধে নিষেধাজ্ঞা ও শাস্তির বিষয়গুলো ব্যাপকভাবে প্রচার ও প্রকাশ করতে হবে। যৌন হয়রানিমূলক সব ধরনের ঘটনাকে প্রতিরোধ করতে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ, সহিংসতা ও হয়রানির বিরুদ্ধে একটি কর্মস্থল নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন এবং পেশাগত নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনায় মনোসামাজিক ঝুঁকি বিবেচনা করে পদক্ষেপ নিতে হবে।

অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, কোনো নারী কর্মী বা শ্রমিকের প্রতি প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব নিশ্চিত করতে হবে। এই সংশোধনী বাংলাদেশের শ্রম আইনকে আরও কঠোর করে তুলবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এই সংশোধনীর ফলে শ্রমিকদের অধিকার রক্ষা করা সহজ হবে। এছাড়াও, কর্মস্থলে সহিংসতা ও হয়রানি রোধে এই সংশোধনী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে শ্রমিকদের কল্যাণ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। এই সংশোধনী বাংলাদেশের শ্রম আইনের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে বিবেচিত হবে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: Banglastream
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments