বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা অ্যাডভোকেট এম. রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেছেন, শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ড আইনের শাসনের একটি উদাহরণ। তিনি নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার রামশার কাজিপুর আমতলি বাজারে এক নির্বাচনী সমাবেশে এ কথা বলেন।
দুলু বলেন, শেখ হাসিনার সরকারের সময় দেশে হাজার হাজার মানুষ হত্যা, গুম ও নির্যাতনের শিকার হলেও কোনো বিচার হয়নি। তিনি আরও বলেন, জুলাই-আগস্টের আন্দোলনের সময় শেখ হাসিনা তার দলের লোক ও দেশের বিভিন্ন বাহিনী ব্যবহার করে গণহত্যা চালিয়েছেন।
স্থানীয় বিএনপি নেতা মঞ্জুরুল ইসলাম হযরতের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন নাটোর জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক সাইফুল ইসলাম আফতাব, মোস্তাফিজুর রহমান শাহিন, সদস্য শহিদুল ইসলাম বাচ্চু, নাসিম উদ্দিন নাসিম, নাটোর পৌরসভার সাবেক মেয়র কাজী শাহ আলম, জেলা যুবদল সভাপতি এ হাই তালুকদার ডালিম, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সানোয়ার হোসেন তুষার ও জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মারুফ ইসলাম সৃজন প্রমুখ।
দুলু বলেন, শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ড আইনানুগ ন্যায়বিচারের একটি উদাহরণ। তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তার বিরুদ্ধে দেওয়া রায়ে সকল নিয়ম ও নীতি মেনে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করেছে।
এই ঘটনার পর দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি কেমন হবে তা নিয়ে অনেকেই উদ্বিগ্ন। কেউ কেউ বলছেন, এই ঘটনা দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলবে। অন্যদিকে, কেউ কেউ বলছেন, এই ঘটনা দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে স্থিতিশীল করতে সাহায্য করবে।
এই ঘটনার পর দেশের রাজনৈতিক দলগুলো কেমন প্রতিক্রিয়া জানাবে তা নিয়েও অনেকেই উদ্বিগ্ন। কেউ কেউ বলছেন, এই ঘটনা দেশের রাজনৈতিক দলগুলোকে আরও বিভক্ত করে দেবে। অন্যদিকে, কেউ কেউ বলছেন, এই ঘটনা দেশের রাজনৈতিক দলগুলোকে একত্রিত করতে সাহায্য করবে।
এই ঘটনার পর দেশের মানুষ কেমন প্রতিক্রিয়া জানাবে তা নিয়েও অনেকেই উদ্বিগ্ন। কেউ কেউ বলছেন, এই ঘটনা দেশের মানুষকে আরও বিভক্ত করে দেবে। অন্যদিকে, কেউ কেউ বলছেন, এই ঘটনা দেশের মানুষকে একত্রিত করতে সাহায্য করবে।
এই ঘটনার পর দেশের ভবিষ্যত কেমন হবে তা নিয়ে অনেকেই উদ্বিগ্ন। কেউ কেউ বলছেন, এই ঘটনা দেশের ভবিষ্যতকে আরও অনিশ্চিত করে তুলবে। অন্যদিকে, কেউ কেউ বলছেন, এই ঘটনা দেশের ভবিষ্যতকে আরও স্থিতিশীল করতে সাহায্য করবে।



