যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উচ্চ শুল্ক থাকা সত্ত্বেও দেশটিতে ভারতের রপ্তানি বেড়েছে। গত পাঁচ মাসের মধ্যে অক্টোবরে প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্রে ভারতীয় পণ্য রপ্তানি সেপ্টেম্বরের তুলনায় সাড়ে ১৪ শতাংশ বেড়েছে।
ভারতের উপর আগস্টের শেষ দিকে ৫০ শতাংশ মার্কিন শুল্ক আরোপ করছিলেন ট্রাম্প। এর মধ্যে রাশিয়ান তেল কেনার জন্য ২৫ শতাংশ জরিমানাও ছিল। এরপর ভারতের বৃহত্তম বিদেশী বাজারটিতে রপ্তানি অনেকটা কমে গিয়েছিল।
ভারতীয় রাষ্ট্রায়ত্ত্ব সংস্থাগুলো যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও বেশি এলপিজি আমদানিতে রাজি হয়েছে। এছাড়া ট্রাম্প কিছু কৃষি পণকে পারস্পারিক শুল্ক থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন, যা ভারতের জন্য সহায়ক হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা চলছে। ভারতীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে, চুক্তির মূল বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা অনেকটাই শেষের দিকে রয়েছে। অক্টোবরে ভারতের সার্বিক রপ্তানি প্রায় ১২ শতাংশ কমা সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে রপ্তানি বেড়েছে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক, চিংড়ি এবং রত্ন ও গহনাসহ বিভিন্ন পণ্যের প্রধান রফতানিকারক দেশ ভারত। ভারতের রপ্তানি বাড়ার ফলে দেশটির অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
ভবিষ্যতে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্য সম্পর্ক আরও উন্নত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরিত হলে ভারতের রপ্তানি আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
ভারতের রপ্তানি বাড়ার জন্য সরকারকে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিতে হবে। সরকারকে রপ্তানি খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে এবং রপ্তানি সহজতর করতে হবে। এছাড়া সরকারকে রপ্তানি খাতের কর্মীদের প্রশিক্ষণ দিতে হবে এবং তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে।
সবশেষে, ভারতের রপ্তানি বাড়ার জন্য সরকার, বেসরকারি খাত এবং রপ্তানি খাতের কর্মীদের সমন্বিত প্রচেষ্টা গ্রহণ করতে হবে। একসাথে কাজ করলে ভারতের রপ্তানি খাত আরও উন্নত হবে এবং দেশটির অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।



