সাম্প্রতিক সময়ে, ৯৪ জন নাগরিক জাতীয় টেলিযোগাযোগ পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র (এনটিএমসি) বাতিল করার দাবি জানিয়েছেন। তারা অস্থায়ী সরকারকে টেলিযোগাযোগ (সংশোধনী) অধ্যাদেশ, ২০২৫ অনুমোদন করতে বলেছেন, কিন্তু নিরাপত্তা মন্ত্রণালয়ের অধীনে নজরদারি ক্ষমতা দেওয়া থেকে বিরত থাকতে বলেছেন।
এই নাগরিকদের মতে, বাংলাদেশ বর্তমানে বিচার, সংস্কার এবং নির্বাচনের একটি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, যার মধ্যে আইন ও নীতির সংস্কার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তারা বলেছেন যে স্টেকহোল্ডারদের অংশগ্রহণ সত্ত্বেও নতুন অধ্যাদেশ প্রণয়ন এবং বিদ্যমান আইন সংশোধনে, জনমত প্রায়ই উপেক্ষা করা হয়।
অস্থায়ী সরকার টেলিযোগাযোগ (সংশোধনী) অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর একটি খসড়া প্রকাশ করেছে, যা ইন্টারনেট বন্ধ করার সরকারের ক্ষমতা স্থায়ীভাবে তুলে নেওয়া এবং বিদ্যমান নজরদারি কাঠামোর ব্যাপক সংস্কারের প্রস্তাব করেছে। এই প্রস্তাবগুলি জনগণের দাবির প্রতিফলন, যা ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করার জন্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা চাইছে।
এনটিএমসির সাথে সম্পর্কিত মানবাধিকার লঙ্ঘন, অবৈধ এবং অনিয়ন্ত্রিত নজরদারি, এবং বলপূর্বক অন্তর্ধানের অভিযোগ রয়েছে। এই অভিযোগের বিস্তারিত বিবরণ আদালতের বিচার এবং সরকার কর্তৃক গঠিত বলপূর্বক অন্তর্ধান তদন্ত কমিশনের মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। এইজন্য, এনটিএমসি বাতিল করার জন্য একটি শক্তিশালী দাবি রয়েছে।
অস্থায়ী সরকারের মধ্যে এনটিএমসি বাতিল করা বা না করা নিয়ে মতভেদ রয়েছে। সরকার একটি নতুন খসড়া আইন প্রণয়ন করেছে, যা এনটিএমসির জন্য তিনটি বিকল্প নাম প্রস্তাব করেছে। এই পদক্ষেপটি নাগরিকদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে, যারা এনটিএমসি বাতিল করার দাবি জানিয়েছেন।
এই পরিস্থিতিতে, নাগরিকদের দাবি হলো যে সরকারকে এনটিএমসি বাতিল করা উচিত এবং টেলিযোগাযোগ (সংশোধনী) অধ্যাদেশ, ২০২৫ অনুমোদন করা উচিত। এই পদক্ষেপটি নাগরিকদের অধিকার রক্ষা করবে এবং ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করবে।
এনটিএমসি বাতিল করার দাবি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, যা বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সরকারকে এই দাবির প্রতি মনোযোগ দেওয়া উচিত এবং নাগরিকদের অধিকার রক্ষা করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।
এনটিএমসি বাতিল করার দাবি একটি দীর্ঘমেয়াদী সমস্যা, যা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতির সাথে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত। সরকারকে এই সমস্যাটি সমাধান করার জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা প্রণয়ন করা উচিত, যা নাগরিকদের অধিকার রক্ষা করবে এবং ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করবে।
এনটিএমসি বাতিল করার দাবি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, যা বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সরকারকে এই দাবির প্রতি মনোযোগ দেওয়া উচিত এবং নাগরিকদের অধিকার রক্ষা করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।



