দেশের বিভিন্ন স্থানে অরাজকতা ও নৈরাজ্য সৃষ্টির অপচেষ্টার ঘটনায় শিক্ষা উপদেষ্টা ড. সি আর আবরার গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এই উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।
শহীদ শরিফ ওসমান হাদির শাহাদাতের হৃদয়বিদারক ঘটনার পর দেশের বিভিন্ন স্থানে অরাজকতা ও নৈরাজ্য সৃষ্টির অপচেষ্টা করা হচ্ছে। এই ঘটনাগুলোতে কিছু সংখ্যক উগ্র ও অবিবেচক গোষ্ঠী জড়িত।
বাংলাদেশের একটি সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ছায়ানট ভবনে হামলা চালানো হয়েছে। এই হামলায় প্রতিষ্ঠানটির বহু সংগীত ও শিক্ষা উপকরণ ধ্বংস করা হয়েছে। শিক্ষা উপদেষ্টা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।
স্বার্থান্বেষী মহলের এ ধরনের কার্যকলাপ জুলাই আন্দোলনের চেতনাকে কলুষিত করার অপপ্রয়াস বলে মনে করা হচ্ছে। এছাড়াও এর ফলে বাংলাদেশবিরোধী ফ্যাসিস্ট অপশক্তির ষড়যন্ত্র সফল হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিচ্ছে।
শিক্ষা উপদেষ্টা এই ঘটনাগুলোর তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি সাংস্কৃতিক সংগঠন উদীচীর কার্যালয়ে হামলা ও অগ্নিসংযোগেরও নিন্দা জানিয়েছেন।
শিক্ষা উপদেষ্টার বিবৃতি থেকে বোঝা যায় যে, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় এই ধরনের ঘটনাগুলো কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে এই ধরনের ঘটনা থেকে রক্ষা করার জন্য সরকারকে পদক্ষেপ নিতে হবে।
শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের উচিত এই ধরনের ঘটনাগুলো সম্পর্কে সচেতন থাকা। তারা উচিত এই ধরনের ঘটনাগুলোকে সমর্থন করা থেকে বিরত থাকা। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে উচিত এই ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে সক্রিয় ভূমিকা পালন করা।
সরকারকে উচিত এই ধরনের ঘটনাগুলো প্রতিরোধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া। তারা উচিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিরাপদ করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
শিক্ষা উপদেষ্টার বিবৃতি থেকে বোঝা যায় যে, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই ধরনের ঘটনাগুলো শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য ক্ষতিকর।
শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও সরকারকে উচিত একসাথে কাজ করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিরাপদ করা। তারা উচিত এই ধরনের ঘটনাগুলো প্রতিরোধে সক্রিয় ভূমিকা পালন করা।
শিক্ষা উপদেষ্টার বিবৃতি থেকে বোঝা যায় যে, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য সকলকে একসাথে কাজ করতে হবে।
শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও সরকারকে উচিত এই ধরনের ঘটনাগুলো সম্পর্কে সচেতন থাকা। তারা উচিত এই ধরনের ঘটনাগুলোকে সমর্থন করা থেকে বিরত থাকা।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে উচিত এই ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে সক্রিয় ভূমিকা পালন করা। তারা উচিত শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
সরকারকে উচিত এই ধরনের ঘটনাগুলো প্রতিরোধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া। তারা উচিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিরাপদ করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
শিক্ষা উপদেষ্টার বিবৃতি থেকে বোঝা যায় যে, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় শান্তি ও শৃঙ্খ



