শরীফ ওসমান হাদির জানাজায় লাখো মানুষের অংশগ্রহণ দেখা গেছে। মানিক মিয়া অভেন্যুতে অনুষ্ঠিত এই জানাজায় অংশগ্রহণকারীদের সংখ্যা ছিল অসংখ্য। জানাজার স্থানটি অতিরিক্ত লোকের চাপে যেতে শুরু করে, ফলে অনেকেই প্রাঙ্গণে প্রবেশ করতে পারেনি।
জানাজার সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যরা মানিক মিয়া অভেন্যু এবং পার্শ্ববর্তী এলাকায় মোতায়েন ছিলেন। অনেকে প্রাঙ্গণে প্রবেশ করার জন্য বেড়া টপকানোর চেষ্টা করেছিলেন, যার ফলে কয়েকজন হালকা আহত হয়েছিলেন।
জানাজার পর অনেকেই মিছিল করে হাদির মৃত্যুর বিচার দাবি করেছেন এবং তার মৃত্যু বৃথা যাবে না বলে শপথ নিয়েছেন। এই ঘটনায় রাজনৈতিক পরিস্থিতির উপর প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
শরীফ ওসমান হাদি ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ছিলেন। তার মৃত্যুতে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে উত্তেজনা বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এই ঘটনার পর সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেতে পারে।
জানাজায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে অনেকেই হাদির মৃত্যুর বিচার দাবি করেছেন। তারা বলেছেন, হাদির মৃত্যু বৃথা যাবে না। তারা সরকারের কাছে হাদির মৃত্যুর তদন্ত করার দাবি জানায়ছেন।
এই ঘটনায় রাজনৈতিক পরিস্থিতির উপর প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেতে পারে। এই ঘটনার পর দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি কেমন হবে তা নিয়ে সবাই উদ্বিগ্ন।



