মুক্তিযুদ্ধের বীর একুশে পদকপ্রাপ্ত এয়ার ভাইস মার্শাল একে খন্দকার ৯৫ বছর বয়সে প্রয়াত হয়েছেন। তিনি ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল ১০টা ৩৫ মিনিটে মারা যান।
এয়ার ভাইস মার্শাল একে খন্দকার মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিবাহিনীর উপ-কমান্ডার ছিলেন। তিনি বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর প্রথম প্রধান ছিলেন। তিনি ১৯৪৯ সালে পাকিস্তান বিমান বাহিনীতে যোগদান করেন।
মুক্তিযুদ্ধের সময় এয়ার ভাইস মার্শাল একে খন্দকার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি ১৯৭১ সালের মার্চ মাসে ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে গ্রুপ ক্যাপ্টেন হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। ১৫ই মে ১৯৭১ তারিখে তিনি ভারতের ত্রিপুরার আগরতলায় পৌঁছেন।
পরবর্তীতে তিনি মুক্তিবাহিনীর উপ-কমান্ডার হিসেবে নিয়োগ পান। তিনি বাংলাদেশ বিমান বাহিনী গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ১৬ই ডিসেম্বর ১৯৭১ তারিখে পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণের সময় তিনি মুক্তিবাহিনীর প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
এয়ার ভাইস মার্শাল একে খন্দকারের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি তাঁর মৃত্যুকে জাতির জন্য একটি বড় ক্ষতি বলে মনে করেন।
এয়ার ভাইস মার্শাল একে খন্দকারের নামাজে জানাজা আগামীকাল ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের বাংলাদেশ বিমান বাহিনী বেস বসুনিয়ায় অনুষ্ঠিত হবে। এরপর তাঁকে সামরিক মর্যাদায় সমাহিত করা হবে।
এয়ার ভাইস মার্শাল একে খন্দকারের মৃত্যুতে দেশের সকল মানুষ শোকপ্রকাশ করেছে। তাঁর মৃত্যু বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে একটি বড় ক্ষতি হিসেবে বিবেচিত হবে।



