গাজা শহরের ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই বছর পর আবার শুরু হয়েছে ক্লাস। এই বিশ্ববিদ্যালয়টি গত অক্টোবরের যুদ্ধবিধ্বস্ত অবস্থার পরে আবার খুলেছে। বর্তমানে, এই বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় ৫০০টি উদ্বাস্তু পরিবার আশ্রয় নিয়েছে।
এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে এখন শিবির স্থাপন করা হয়েছে, যেখানে আগে লেকচার হল ছিল। এটি গাজার দুটি বড় সমস্যার একটি – গৃহহীনতা এবং শিক্ষা ব্যবস্থার পতন।
একজন শিক্ষার্থী বলেছে, ‘আমরা জাবালিয়া থেকে বহিস্কৃত হয়ে এখানে এসেছি, কারণ আমাদের কোথাও যেতে ছিল না। কিন্তু এই জায়গাটি শিক্ষার জন্য, আশ্রয়ের জন্য নয় – এটি আমাদের সন্তানদের পড়াশোনার জায়গা।’
এই বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় ৯৫% ক্যাম্পাস ধ্বংস হয়ে গেছে। ইউনেস্কোর হিসাব অনুযায়ী, গাজার উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে ৯৫% ধ্বংস হয়ে গেছে।
একজন ছাত্রী বলেছে, ‘আমি একটি সুসজ্জিত বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করতে চাই, যেখানে আমি মনোযোগ সহকারে পড়াশোনা করতে পারি। কিন্তু এখানে আমি যা কল্পনা করেছিলাম, তা পাইনি। তবুও, আমি আশাবাদী, কারণ আমরা সবকিছু শূন্য থেকে গড়ে তুলছি।’
গাজার শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে গেছে। প্রায় ৭৫০,০০০ শিক্ষার্থী দুই বছর ধরে শিক্ষা গ্রহণ করতে পারেনি। ৪৯৪টি স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয় ধ্বংস হয়ে গেছে, যার মধ্যে ১৩৭টি সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে গেছে। ১২,৮০০ শিক্ষার্থী এবং ৭৬০ জন শিক্ষক নিহত হয়েছেন।
এই পরিস্থিতি থেকে বের হওয়ার জন্য, আমাদের একটি সুষ্ঠু শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রয়োজন। আমাদের শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ও সুবিধাজনক পরিবেশ তৈরি করতে হবে। আমাদের শিক্ষকদের জন্য প্রশিক্ষণ ও সহায়তা প্রদান করতে হবে। আমাদের একটি সুসংগঠিত শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে।
আপনি কি গাজার শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নতির জন্য কোনো পরামর্শ দিতে পারেন? আপনি কি এই বিষয়ে আরও জানতে চান?



