সুদানের আবেই অঞ্চলে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা ঘাঁটিতে ড্রোন হামলায় নিহত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীর মরদেহ দেশে ফেরত এসেছে। এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে করে মরদেহগুলো ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান স্টাফ অফিসার লেফটেন্যান্ট জেনারেল মিজানুর রহমান শামীম বিমানবন্দরে মরদেহগুলো গ্রহণ করেন।
এছাড়াও বেশ কয়েকজন সিনিয়র কর্মকর্তা এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। নিহত শান্তিরক্ষীদের সম্মানে এক মিনিট নিন্দা পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। পরে মরদেহগুলো ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের কেন্দ্রীয় মসজিদে নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানে একটি প্রার্থনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। পরবর্তীতে মরদেহগুলো সৈন্যদের নিজ নিজ গ্রামের বাড়িতে হেলিকপ্টারে করে পাঠানো হবে।
একই হামলায় আরও নয়জন বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে আটজনকে কেনিয়ার নাইরোবিতে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তারা সবাই স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছেন। এর আগে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী জানিয়েছিল যে একটি বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র গোষ্ঠী সুদানের আবেই অঞ্চলে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা চালিয়েছে। এই হামলায় ছয়জন শান্তিরক্ষী নিহত এবং নয়জন আহত হয়েছেন।
বাংলাদেশ সরকার এই ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছে। সরকার নিহত শান্তিরক্ষীদের পরিবারকে সমবেদনা জানিয়েছে। এছাড়াও সরকার জাতিসংঘকে এই ঘটনার তদন্ত করতে এবং দায়ীদের বিচারের আওতায় আনতে আহ্বান জানিয়েছে।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে অংশগ্রহণ করে আসছে। বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে কাজ করছেন। তারা সবাই তাদের দেশের জন্য গর্বের পরম উদাহরণ।
বাংলাদেশ সরকার এই ঘটনার পর থেকে সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করছে। সরকার নিহত শান্তিরক্ষীদের পরিবারকে সমবেদনা জানিয়েছে। এছাড়াও সরকার জাতিসংঘকে এই ঘটনার তদন্ত করতে এবং দায়ীদের বিচারের আওতায় আনতে আহ্বান জানিয়েছে।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে অংশগ্রহণ করে আসছে। বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে কাজ করছেন। তারা সবাই তাদের দেশের জন্য গর্বের পরম উদাহরণ।
বাংলাদেশ সরকার এই ঘটনার পর থেকে সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করছে। সরকার নিহত শান্তিরক্ষীদের পরিবারকে সমবেদনা জানিয়েছে। এছাড়াও সরকার জাতিসংঘকে এই ঘটনার তদন্ত করতে এবং দায়ীদের বিচারের আওতায় আনতে আহ্বান জানিয়েছে।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে অংশগ্রহণ করে আসছে। বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে কাজ করছেন। তারা সবাই তাদের দেশের জন্য গর্বের পরম উদাহরণ।
বাংলাদেশ সরকার এই ঘটনার পর থেকে সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করছে। সরকার নিহত শান্তিরক্ষীদের পরিবারকে সমবেদনা জানিয়েছে। এছাড়াও সরকার জাতিসংঘকে এই ঘটনার তদন্ত করতে এবং দায



