নভেম্বর ২০২৫ সালে, সরকার টাকার পরিমাণ ৩১,২৮৯.১৩ কোটি ট্রেজারি বিল ইস্যু করেছে, যা আগের মাসের তুলনায় ৪.৩০% বেশি। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, নভেম্বর মাসে চারটি নিলাম অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এই নিলামগুলিতে, ৯১-দিন, ১৮২-দিন এবং ৩৬৪-দিনের ট্রেজারি বিলের ওজনযুক্ত গড় হার যথাক্রমে ৯.৯৯%, ১০.০৩% এবং ১০.০১% ছিল। প্রথম তিন সপ্তাহে ৯১-দিনের ট্রেজারি বিলের কাট-অফ রেট কমেছে, শেষ নিলামে ১০.০৭% এ নেমে এসেছে।
১৮২-দিনের ট্রেজারি বিলের কাট-অফ রেট দ্বিতীয় সপ্তাহে ৩০ বেসিস পয়েন্ট বেড়েছে, কিন্তু পরবর্তী তিনটি নিলামে এটি ধীরে ধীরে কমেছে। অন্যদিকে, ৩৬৪-দিনের ট্রেজারি বিলের কাট-অফ রেট মাসের শুরুতে ৯.৯৯% থেকে শেষে ১০.২৫% পর্যন্ত বেড়েছে।
এই পরিসংখ্যানগুলি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা দেয়। ট্রেজারি বিল ইস্যুতে বৃদ্ধি সরকারের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশক।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মানি মার্কেট ডাইনামিকস রিপোর্ট অনুযায়ী, নভেম্বর মাসে ট্রেজারি বিল ইস্যুতে এই বৃদ্ধি ঘটেছে। এই রিপোর্টটি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করে।
ট্রেজারি বিল ইস্যুতে এই বৃদ্ধির ফলে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে কী ধরনের প্রভাব পড়বে তা ভবিষ্যতে দেখা যাবে। তবে এটা নিশ্চিত যে এই বৃদ্ধি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ট্রেজারি বিল ইস্যুতে এই বৃদ্ধি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির উন্নতির একটি সংকেত। তারা আরও বলেছেন যে এই বৃদ্ধি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহায়তা করবে।
সবশেষে, ট্রেজারি বিল ইস্যুতে এই বৃদ্ধি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির উন্নতির একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশক। এই বৃদ্ধি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহায়তা করবে বলে আশা করা যায়।



