ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুর পর দেশজুড়ে উত্তেজনা বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে নির্মাতা আশফাক নিপুণ তীব্র মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেছেন, আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কিছু পক্ষ পরিকল্পিতভাবে অস্থিরতা সৃষ্টি করছে।
গত বৃহস্পতিবার দুর্বৃত্তের গুলিতে আহত হয়ে শরিফ ওসমান হাদি সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তার মৃত্যু সংবাদ ছড়িয়ে পড়ার পর রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ দেখা যায়। হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় সংবাদমাধ্যমের কার্যালয় ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানও ক্ষতির মুখে পড়ে।
নির্মাতা আশফাক নিপুণ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মন্তব্য করেছেন, সবকিছুই আসন্ন নির্বাচন বানচালের জন্য পরিকল্পিত। তিনি বলেছেন, কেউ মুখে নির্বাচন চায় বললেও বাস্তবে চায় না, কেউ ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ নির্বাচন উল্লেখ করলেও রাজধানীতে মব নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যর্থ।
নিপুণ সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রসঙ্গও টানেন। তিনি বলেন, হাসিনা দেশ ছাড়লেও তার নির্বাচনভীতি দেশ ছাড়েনি। সেই ভয় এখনো অন্তরে বসে আছে এবং ভেতরে ভেতরে কার্যকর হচ্ছে।
নির্মাতা শরিফ হাদির আত্মত্যাগকেও স্মরণ করিয়ে দেন। তিনি বলেছেন, শহীদ ওসমান হাদির হত্যার বিচার অবশ্যই হতে হবে। তবে যে মানুষটি দিনের পর দিন কিলোমিটারের পর কিলোমিটার হেঁটেছেন, ময়লা পানি গায়ে মেখে হাসিমুখে প্রচারণা চালিয়েছেন, অন্তত সেই ত্যাগের সম্মান রাখা উচিত।
এই পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক দল ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ধারণা তৈরি হয়েছে, হাদির মৃত্যুকে ইস্যু বানিয়ে আসন্ন নির্বাচনকে প্রভাবিত করার চেষ্টা চলছে। এই প্রেক্ষাপটে নির্মাতা আশফাক নিপুণের মন্তব্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
রাজনৈতিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল করার জন্য সকল পক্ষকে সংযত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সরকার ও বিরোধী দলগুলোকে সংলাপের মাধ্যমে সমস্যার সমাধান খুঁজে বের করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
এই ঘটনার পর দেশজুড়ে নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। কেউ কেউ সরকারের প্রতি সমর্থন জানিয়েছে, অন্যদিকে কেউ কেউ বিরোধী দলগুলোর প্রতি সমর্থন জানিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সকল পক্ষকে সংযত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
এই ঘটনার পর দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। সরকার ও বিরোধী দলগুলোকে সংলাপের মাধ্যমে সমস্যার সমাধান খুঁজে বের করার আহ্বান জানানো হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সকল পক্ষকে সংযত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
এই ঘটনার পর দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি কেমন হবে তা নিয়ে সবাই উদ্বিগ্ন। সরকার ও বিরোধী দলগুলোকে সংলাপের মাধ্যমে সমস্যার সমাধান খুঁজে বের করার আহ্বান জানানো হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সকল পক্ষকে সংযত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
এই ঘটনার পর দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি কেমন হবে তা নিয়ে সবাই উদ্বিগ্ন। সরকার ও বিরোধী দলগুলোকে সংলাপের মাধ্যমে সমস্যার সমাধান খুঁজে বের করার আহ্বান জানানো হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সকল পক্ষকে সংযত থাকার আহ



