মুক্তিযুদ্ধের উপ সেনাপতি এ কে খন্দকার প্রয়াণ করেছেন। তার বয়স হয়েছিল প্রায় ৯৬ বছর। শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি বার্ধক্যজনিত কারণে মারা গেছেন।
এ কে খন্দকার মুক্তিযুদ্ধের সময় গঠিত বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর প্রথম প্রধান ছিলেন। সামরিক শাসক জিয়াউর রহমানের আমলে তিনি রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব নিয়েছিলেন। পরে এইচ এম এরশাদের সামরিক শাসনামলে তিনি পরিকল্পনামন্ত্রী হন।
২০০৮ সালে আওয়ামী লীগের টিকিটে পাবনা থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর এ কে খন্দকার পাঁচ বছর শেখ হাসিনার মন্ত্রিসভায় পরিকল্পনামন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। মুক্তিযুদ্ধে ভূমিকার জন্য ২০১১ সালে তাকে স্বাধীনতা পদক দেয় সরকার।
এ কে খন্দকারের মৃত্যুতে দেশের রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তার মৃত্যু দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত হবে।
এ কে খন্দকারের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি তার মৃত্যুকে দেশের জন্য একটি বড় ক্ষতি হিসেবে অভিহিত করেছেন।
এ কে খন্দকারের মৃত্যু দেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে। তার মৃত্যুর পর দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি কেমন হবে তা নিয়ে সবাই অপেক্ষায় রয়েছে।



