জাতিসংঘের মানবাধিকার বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে জম্মু ও কাশ্মীরের পেহেলগাঁওয়ে হামলার পর ভারতের সামরিক অভিযান পাকিস্তান ভূখণ্ডে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করেছে। তাদের মতে, এসব পদক্ষেপ দক্ষিণ এশিয়ায় আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা, আন্তর্জাতিক আইন এবং কোটি কোটি মানুষের মানবাধিকারের ওপর গুরুতর প্রভাব ফেলতে পারে।
জাতিসংঘের পাঁচজন বিশেষ র্যাপোর্টিউর এবং একজন নিরপেক্ষ বিশেষজ্ঞ পেহেলগাঁও হামলার পর ভারতের সামরিক প্রতিক্রিয়া এবং এর আইনি ও মানবিক পরিণতি পর্যালোচনা করেছেন। বিশেষজ্ঞরা উপসংহারে বলেন, ভারতের আচরণ জাতিসংঘ সনদ, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন এবং চুক্তিভিত্তিক আইনের আওতায় তার বাধ্যবাধকতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলে প্রতীয়মান হয়।
জাতিসংঘ বিশেষজ্ঞরা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন, পেহেলগাঁও হামলায় পাকিস্তানের জড়িত থাকার বিষয়ে ভারত কোনও প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেনি। বিশেষজ্ঞরা স্বীকার করেন, সন্ত্রাসবাদ থেকে নাগরিকদের সুরক্ষা দেওয়ার অধিকার রাষ্ট্রগুলোর রয়েছে। কিন্তু একই সঙ্গে তারা বলেন, আন্তর্জাতিক আইন বিশেষ করে সীমান্ত অতিক্রম করে বলপ্রয়োগের ক্ষেত্রে কঠোর সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছে।
জাতিসংঘ বিশেষজ্ঞরা আরও সতর্ক করেন, হামলার পর গৃহীত পদক্ষেপগুলোর মধ্যে রয়েছে সীমান্ত পেরিয়ে সামরিক হামলা এবং একতরফাভাবে আন্তর্জাতিক চুক্তির কার্যকারিতা স্থগিত করার সিদ্ধান্ত- নিজেই আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ও মানবিক আইনের দৃষ্টিতে গুরুতর উদ্বেগ তৈরি করছে। এই বিষয়টি যৌথভাবে জাতিসংঘের একাধিক বিশেষ র্যাপোর্টিউর ও স্বাধীন বিশেষজ্ঞ জারি করেন।
জাতিসংঘ সনদের ৫১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগের ক্ষেত্রে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদকে অবহিত করার বা অনুমতি নেওয়ার বিষয়ে জাতিসংঘ বিশেষজ্ঞরা উল্লেখ করেন। তারা আরও বলেন, ভারতের এই ধরনের পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক সম্পর্কের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে এবং দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাকে আরও ব্যাহত করতে পারে।
জাতিসংঘ বিশেষজ্ঞরা এই বিষয়ে আরও বলেন, ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে সংলাপ এবং সহযোগিতার মাধ্যমে এই সংঘাতের সমাধান খুঁজে বের করা উচিত। তারা আরও বলেন, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদকে এই বিষয়ে সক্রিয় ভূমিকা পালন করা উচিত এবং দুই দেশকে শান্তিপূর্ণ সমাধানের দিকে নিয়ে যাওয়ার জন্য উত্সাহিত করা উচিত।
এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এই বিষয়ে সচেতন হওয়া উচিত এবং দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষার জন্য সক্রিয় পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। জাতিসংঘ বিশেষজ্ঞরা আরও বলেন, ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে সংলাপ এবং সহযোগিতার মাধ্যমে এই সংঘাতের সমাধান খুঁজে বের করা সম্ভব।
জাতিসংঘ বিশেষজ্ঞরা এই বিষয়ে আরও বলেন, ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে সংঘর্ষ আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য একটি গুরুতর হুমকি। তারা আরও বলেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এই বিষয়ে সচেতন হওয়া উচিত এবং দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষার জন্য সক্রিয় পদক্ষেপ নেওয়া উচ



