বাংলাদেশের রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ঢাকা-কক্সবাজারসহ ছয়টি রুটে ট্রেনের ভাড়া বৃদ্ধি করেছে। এই বৃদ্ধি ১৩ বছরে সবচেয়ে বেশি। ২০১২ সালে একলাফে ভাড়া বাড়ানো হয় ৫০ শতাংশ। এর ২০ বছর আগে ১৯৯২ সালে ভাড়া বাড়ানো হয়েছিল।
ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে আগে ৩৪৬ কিলোমিটার দূরত্ব ধরে ভাড়া দিতে হতো। এখন পন্টেজ চার্জ নির্ধারণের পর এ দূরত্ব হয়েছে ৩৮১ কিলোমিটার। ৩৫ কিলোমিটার দূরত্ব বৃদ্ধি পাওয়ায় এই রুটে মেইলের ভাড়া ১৩৫ থেকে বেড়ে ১৫০ টাকা হয়েছে।
ঢাকা থেকে কক্সবাজার রুটে চলাচলরত কক্সবাজার ও পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেনের বর্তমানে স্নিগ্ধা আসনের ভাড়া ১ হাজার ৩২২ টাকা। এখন থেকে দিতে হবে ১ হাজার ৪৪৯ টাকা। ভাড়া বেড়েছে ১২৭ টাকা।
চট্টগ্রাম-সিলেট রুটে স্নিগ্ধা আসনের ভাড়া ৮৫৭ টাকার জায়গায় দিতে হবে ৯০৯ টাকা। এই ভাড়া বৃদ্ধি যাত্রীদের জন্য একটি নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করবে।
বাংলাদেশের রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ এই ভাড়া বৃদ্ধির জন্য কোন কারণ বলেনি। তবে এটি অনুমান করা হচ্ছে যে খরচ বৃদ্ধির কারণে এই ভাড়া বৃদ্ধি করা হয়েছে।
এই ভাড়া বৃদ্ধি বাংলাদেশের অর্থনীতিতে কী প্রভাব ফেলবে তা এখনও অস্পষ্ট। তবে এটি নিশ্চিত যে এই ভাড়া বৃদ্ধি যাত্রীদের জন্য একটি নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করবে।
বাংলাদেশের রেলওয়ে কর্তৃপক্ষকে এই ভাড়া বৃদ্ধির জন্য কারণ বলে দিতে হবে। এছাড়াও তাদের এই ভাড়া বৃদ্ধির প্রভাব সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দিতে হবে।
এই ভাড়া বৃদ্ধি বাংলাদেশের অর্থনীতিতে কী প্রভাব ফেলবে তা এখনও অস্পষ্ট। তবে এটি নিশ্চিত যে এই ভাড়া বৃদ্ধি যাত্রীদের জন্য একটি নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করবে।
বাংলাদেশের রেলওয়ে কর্তৃপক্ষকে এই ভাড়া বৃদ্ধির জন্য কারণ বলে দিতে হবে। এছাড়াও তাদের এই ভাড়া বৃদ্ধির প্রভাব সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দিতে হবে।
এই ভাড়া বৃদ্ধি বাংলাদেশের অর্থনীতিতে কী প্রভাব ফেলবে তা এখনও অস্পষ্ট। তবে এটি নিশ্চিত যে এই ভাড়া বৃদ্ধি যাত্রীদের জন্য একটি নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করবে।
বাংলাদেশের রেলওয়ে কর্তৃপক্ষকে এই ভাড়া বৃদ্ধির জন্য কারণ বলে দিতে হবে। এছাড়াও তাদের এই ভাড়া বৃদ্ধির প্রভাব সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দিতে হবে।
এই ভাড়া বৃদ্ধি বাংলাদেশের অর্থনীতিতে কী প্রভাব ফেলবে তা এখনও অস্পষ্ট। তবে এটি নিশ্চিত যে এই ভাড়া বৃদ্ধি যাত্রীদের জন্য একটি নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করবে।
বাংলাদেশের রেলওয়ে কর্তৃপক্ষকে এই ভাড়া বৃদ্ধির জন্য কারণ বলে দিতে হবে। এছাড়াও তাদের এই ভাড়া বৃদ্ধির প্রভাব সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দিতে হবে।
এই ভাড়া বৃদ্ধি বাংলাদেশের অর্থনীতিতে কী প্রভাব ফেলবে তা এখনও অস্পষ্ট। তবে এটি নিশ্চিত যে এই ভাড়া বৃদ্ধি যাত্রীদের জন্য একটি নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করবে।
বাংলাদেশের রেলওয়ে কর্তৃপক্ষকে এই ভাড়া বৃদ্ধির জন্য কারণ বলে দিতে হবে। এছাড়াও তাদের এই ভাড়া বৃদ্ধির প্রভাব সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দিতে হবে।
এই ভাড়া বৃদ্ধি বাংলাদেশের অর্থনীতিতে কী প্রভাব ফেলবে তা এখনও অস্পষ্ট। তবে এটি



