মালয়ালম চলচ্চিত্রের একজন বিশিষ্ট অভিনেতা, চিত্রনাট্যকার, পরিচালক এবং প্রযোজক শ্রীনিবাসন ২০২৫ সালের ২০শে ডিসেম্বর কেরালার কোচিতে ৬৯ বছর বয়সে প্রয়াত হয়েছেন। তিনি মালয়ালম চলচ্চিত্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ যুগের অবসান ঘটিয়েছেন।
শ্রীনিবাসন দীর্ঘদিন ধরে স্বাস্থ্যগত সমস্যায় ভুগছিলেন। তিনি ডায়ালিসিসের জন্য আমৃতা হাসপাতালে যাচ্ছিলেন, কিন্তু হঠাৎ করে তার অবস্থার অবনতি ঘটে। তাকে ত্রিপুনিথুরা তালুক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, সেখানে তিনি সকালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। শ্রীনিবাসন ১৯৫৬ সালের ৬ই এপ্রিল কেরালার কান্নুর জেলার পাতিয়ামে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তিনি প্রায় পাঁচ দশক ধরে মালয়ালম চলচ্চিত্রে অবদান রেখেছেন।
শ্রীনিবাসন পি.এ. ব্যাকারের ‘মনিমুঝাক্কম’ (১৯৭৬) ছবিতে অভিনয়ের মাধ্যমে তার কর্মজীবন শুরু করেন। তিনি ‘সঙ্গম’ (১৯৭৯) ছবিতে প্রথম মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করেন। কিন্তু তার সত্যিকারের সাফল্য এসেছে ‘ওদারুথামাভা আলারিয়াম’ (১৯৮৪) ছবিতে চিত্রনাট্যকার হিসেবে। তিনি ‘গান্ধিনগর ২য় স্ট্রিট’, ‘সন্মানসুলাভার্ক্কু সমাধানম’, ‘ভারাভেলপু’ এবং ‘নাডোদিক্কাট্টু’ সহ অনেক ছবির চিত্রনাট্য লিখেছেন।
শ্রীনিবাসন প্রযোজক হিসেবেও কাজ করেছেন। তিনি ‘উদয়ানানু থারাম’, ‘কথা পরায়ুম্পল’ এবং ‘নজন প্রকাশন’ সহ অনেক ছবি প্রযোজনা করেছেন। তার ছেলে বিনীথ শ্রীনিবাসন একজন গায়ক, অভিনেতা, পরিচালক এবং প্রযোজক। তার অন্য ছেলে ধ্যান শ্রীনিবাসন একজন অভিনেতা এবং পরিচালক।
শ্রীনিবাসনের মৃত্যুতে মালয়ালম চলচ্চিত্র জগতে শোকের ছায়া নেমেছে। তার অবদানের জন্য তিনি সবার কাছে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।
শ্রীনিবাসনের মৃত্যু মালয়ালম চলচ্চিত্রের জন্য একটি বড় ক্ষতি। তিনি একজন মহান অভিনেতা, চিত্রনাট্যকার, পরিচালক এবং প্রযোজক ছিলেন। তার অবদান মালয়ালম চলচ্চিত্রকে সমৃদ্ধ করেছে। তিনি সবার কাছে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।
শ্রীনিবাসনের মৃত্যুতে তার পরিবার, বন্ধুবান্ধব এবং চলচ্চিত্র জগতের সবাই শোকস্তব্ধ। তার অবদানের জন্য তিনি সবার কাছে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন। তার মৃত্যু মালয়ালম চলচ্চিত্রের জন্য একটি বড় ক্ষতি।



