ময়মনসিংহ শহরের বাঘমারা এলাকায় একটি ঘটনায় আওয়ামী লীগের একজন নেতা ছাদ থেকে লাফ দিয়ে মারা গেছেন। মৃত নেতার নাম কাজী মঞ্জুর মোর্শেদ রাজু। তিনি ময়মনসিংহ মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন।
পরিবারের অভিযোগ, পুলিশের অভিযানের আশঙ্কায় রাজু দোতলার ছাদ থেকে নিচে লাফ দেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন এবং পরে একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
রাজুর স্ত্রী সাথী খাতুন জানান, গত কয়েক বছর ধরে তার স্বামী রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন না। ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে পুলিশ ওই বাসায় গিয়েছিল।
পুলিশ সদস্যরা বাসার গেটে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং রাজু বাসায় নেই- এমন তথ্য পেয়ে ফিরে যান। তবে বিষয়টি না জেনে গ্রেপ্তারের আশঙ্কায় রাজু দোতলার ছাদ থেকে লাফ দেন। এ সময় বারান্দার সঙ্গে লেগে তার মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে।
রাজুর ভাই কাজী শিপলু জানান, ওই সময় কোতোয়ালি থানা পুলিশের একটি দল রাজুর বাসায় গিয়েছিল। পরে আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পরে একটি বেসরকারি হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
এই ঘটনার তদন্ত চলছে। পুলিশ জানিয়েছে যে তারা ঘটনার সমস্ত দিক তদন্ত করছে। মৃত নেতার পরিবার পুলিশের কাছে ন্যায়বিচার চাইছে।
ময়মনসিংহের আওয়ামী লীগ নেতাদের মধ্যে এই ঘটনা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তারা ঘটনার সঠিক তদন্ত এবং দোষীদের বিচারের দাবি জানিয়েছেন।
এই ঘটনা ময়মনসিংহের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলবে বলে মনে করা হচ্ছে। পুলিশ ও রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে উত্তেজনা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এই ঘটনার পর ময়মনসিংহের আওয়ামী লীগ নেতারা সমাবেশ করেছেন। তারা ঘটনার নিন্দা জানিয়েছেন এবং ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছেন।
ময়মনসিংহের পুলিশ প্রশাসন ঘটনার তদন্ত করছে। তারা ঘটনার সমস্ত দিক পর্যালোচনা করছে এবং দোষীদের বিচারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
এই ঘটনা ময়মনসিংহের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলবে বলে মনে করা হচ্ছে। পুলিশ ও রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে সম্পর্ক আরও খারাপ হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
মৃত নেতার পরিবার পুলিশের কাছে ন্যায়বিচার চাইছে। তারা ঘটনার সঠিক তদন্ত এবং দোষীদের বিচারের দাবি জানিয়েছেন।
এই ঘটনা ময়মনসিংহের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলবে বলে মনে করা হচ্ছে। পুলিশ ও রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে উত্তেজনা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।



