সামাজিক মিডিয়ায় সন্ত্রাস ও সহিংসতার আহ্বান প্রতিরোধে সরকার একটি নতুন উদ্যোগ নিয়েছে। জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা এজেন্সি সরাসরি হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে এই ধরনের পোস্টগুলো রিপোর্ট করার সুযোগ তৈরি করেছে।
এই উদ্যোগের মাধ্যমে, সরকার সামাজিক মিডিয়ায় সন্ত্রাস ও সহিংসতার আহ্বান প্রতিরোধে জনগণকে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্য রাখে। জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা এজেন্সি রিপোর্ট করা পোস্টগুলো প্রাথমিক যাচাই-বাছাই পরে বিটিআরসির মাধ্যমে প্ল্যাটফর্ম গুলোতে রিপোর্ট করবে।
সরকার সোশ্যাল মিডিয়ার কোনো পোস্ট ডাউন করার ক্ষমতা নেই, তবে সরকার যৌক্তিক কারণ তুলে ধরে সহিংসতার সঙ্গে সম্পর্কিত পোস্টগুলো সংশ্লিষ্ট প্ল্যাটফর্মের কাছে রিপোর্ট করতে পারে। এই ধরনের পোস্টগুলো জাতীয় সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫ মতে দণ্ডনীয় অপরাধ।
সোশ্যাল মিডিয়াকে সহিংসতা কিংবা ভায়োলেন্স তৈরির টুল হিসাবে ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকা উচিত। দেশ এবং নাগরিকের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তার ব্যাপারে সচেতন হওয়া উচিত।
এই উদ্যোগের মাধ্যমে, সরকার সামাজিক মিডিয়ায় সন্ত্রাস ও সহিংসতার আহ্বান প্রতিরোধে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে। এই পদক্ষেপ সামাজিক মিডিয়ায় সন্ত্রাস ও সহিংসতার আহ্বান প্রতিরোধে সাহায্য করবে এবং দেশের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সহায়তা করবে।
এই উদ্যোগের মাধ্যমে, সরকার সামাজিক মিডিয়ায় সন্ত্রাস ও সহিংসতার আহ্বান প্রতিরোধে জনগণকে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্য রাখে। এই উদ্যোগ সামাজিক মিডিয়ায় সন্ত্রাস ও সহিংসতার আহ্বান প্রতিরোধে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসাবে বিবেচিত হবে।
সামাজিক মিডিয়ায় সন্ত্রাস ও সহিংসতার আহ্বান প্রতিরোধে এই উদ্যোগ একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এই উদ্যোগ সামাজিক মিডিয়ায় সন্ত্রাস ও সহিংসতার আহ্বান প্রতিরোধে সাহায্য করবে এবং দেশের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সহায়তা করবে।
সরকারের এই উদ্যোগ সামাজিক মিডিয়ায় সন্ত্রাস ও সহিংসতার আহ্বান প্রতিরোধে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এই উদ্যোগ সামাজিক মিডিয়ায় সন্ত্রাস ও সহিংসতার আহ্বান প্রতিরোধে সাহায্য করবে এবং দেশের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সহায়তা করবে।
সামাজিক মিডিয়ায় সন্ত্রাস ও সহিংসতার আহ্বান প্রতিরোধে এই উদ্যোগ একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এই উদ্যোগ সামাজিক মিডিয়ায় সন্ত্রাস ও সহিংসতার আহ্বান প্রতিরোধে সাহায্য করবে এবং দেশের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সহায়তা করবে।



