গতকাল রাতে ঢাকায় দৈনিক তারকা ও প্রথম আলোর প্রধান কার্যালয়ে একদল হামলাকারী আক্রমণ করে। এই হামলায় অফিসের ভিতরে থাকা জনগণকে আটকে রাখা হয়েছিল।
দৈনিক তারকার কার্যালয়ে হামলাকারীরা মধ্যরাতের দিকে অফিসে প্রবেশ করে এবং ভাঙচুর শুরু করে। তারা ফার্নিচার, গ্লাস দরজা, অফিস সরঞ্জাম ভাঙচুর করে এবং অগ্নিসংযোগ করে। এছাড়াও তারা অফিসের ভিতরে থাকা খাদ্যদ্রব্য নিয়ে যায়।
হামলার সময় অফিসে থাকা কর্মীদের মধ্যে অনেকে ছাদে আশ্রয় নিয়েছিলেন। তবে ধোয়া এবং ধুয়া তাদের শ্বাসকষ্ট সৃষ্টি করে। একজন তদন্তকারী সাংবাদিক ফেসবুকে পোস্ট করেছিলেন যে তার শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রীর প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনুস প্রথম আলো ও দৈনিক তারকার সম্পাদকদের সাথে কথা বলেছেন এবং তাদের সান্ত্বনা দিয়েছেন। তিনি সরকারি সহায়তা প্রদানের আশ্বাস দিয়েছেন।
এই ঘটনায় আগ্নিকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে আসার পর অফিসের কর্মীরা বের হয়ে আসতে সক্ষম হন। এই হামলার ঘটনায় সরকার তদন্ত শুরু করেছে।
এই ঘটনার পর থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে নানা ধরনের বিক্ষোভ মিছিল হচ্ছে। মানুষ এই হামলার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে।
সরকার এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং দোষীদের বিচারের আশ্বাস দিয়েছে। এই ঘটনায় আইনজীবী ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।
এই ঘটনার পর থেকে দেশের গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। সাংবাদিকরা তাদের কাজ করার স্বাধীনতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
এই ঘটনায় সরকারকে দৃঢ় পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। মানুষ আশা করছে যে সরকার এই ঘটনার তদন্ত শুরু করবে এবং দোষীদের বিচার করবে।
এই ঘটনায় দেশের বিভিন্ন স্থানে মানুষ সমাবেশ করছে। তারা এই হামলার নিন্দা জানাচ্ছে এবং সরকারের কাছে বিচারের দাবি জানাচ্ছে।
এই ঘটনার পর থেকে দেশের গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। মানুষ আশা করছে যে সরকার এই ঘটনার তদন্ত শুরু করবে এবং দোষীদের বিচার করবে।
এই ঘটনায় সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। মানুষ আশা করছে যে সরকার এই ঘটনার তদন্ত শুরু করবে এবং দোষীদের বিচার করবে।
এই ঘটনার পর থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে মানুষ সমাবেশ করছে। তারা এই হামলার নিন্দা জানাচ্ছে এবং সরকারের কাছে বিচারের দাবি জানাচ্ছে।
এই ঘটনায় দেশের গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। মানুষ আশা করছে যে সরকার এই ঘটনার তদন্ত শুরু করবে এবং দোষীদের বিচার করবে।
এই ঘটনার পর থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে মানুষ সমাবেশ করছে। তারা এই হামলার নিন্দা জানাচ্ছে এবং সরকারের কাছে বিচারের দাবি জানাচ্ছে।
এই ঘটনায় সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। মানুষ আশা করছে যে সরকার এই ঘটনার তদন্ত শুরু করবে এবং দোষীদের বিচার করবে।
এই ঘটনার পর থেকে দেশের গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। মানুষ আশা করছে যে সরকার এই ঘটনার তদন্ত শুরু করবে এবং দোষীদের বিচার করবে।
এই ঘটনায় দেশের বিভিন



