দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দলগুলো গতকাল দৈনিক স্টার ও প্রথম আলোর ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছে। তারা এই সহিংসতাকে গণতন্ত্র, বাকস্বাধীনতা ও আইনের শাসনের প্রতি হুমকি হিসেবে অভিহিত করেছে। এছাড়াও তারা এই সহিংসতাকে আগামী জাতীয় নির্বাচনকে ব্যাহত করার চেষ্টা হিসেবে দেখছে।
দেশব্যাপী সহিংসতা, ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর একটি বিবৃতিতে বলেছেন, একটি নির্দিষ্ট অংশ দেশকে অরাজকতার দিকে ঠেলে দিতে চাইছে। তিনি বলেছেন, এই গোষ্ঠী গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করার চেষ্টা করছে।
বিএনপি নেতারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, সরকারের মধ্যে একটি অংশ এই সহিংসতার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের ক্ষমা করতে পারে। তারা বলেছেন, এই সহিংসতা কাজের জন্য নিয়োজিত সাংবাদিকদের জীবনকে ঝুঁকিতে ফেলে দিয়েছে। নিউ এজ পত্রিকার সম্পাদক নুরুল কবিরকে আক্রমণ করা হয়েছে। সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান যেমন ছায়ানটকেও লক্ষ্য করা হয়েছে।
বিএনপি নেতারা বলেছেন, আগামী নির্বাচন ও তারিক রহমানের প্রত্যাবর্তনের প্রেক্ষিতে এই সহিংসতা একটি পরিকল্পিত প্রচেষ্টা। তারা সতর্ক করেছেন যে, আইন-শৃঙ্খলা বজায় না রাখলে নির্বাচন আরও বেঘটে যেতে পারে।
জামায়াতে ইসলামীও এই সহিংসতাকে গণতান্ত্রিক অনুশীলন, বাকস্বাধীনতা ও আইনের শাসনের প্রতি হুমকি হিসেবে অভিহিত করেছে। তারা বলেছেন, এই সহিংসতা গণতন্ত্রের জন্য ক্ষতিকর।
বিএনপি নেতারা বলেছেন, সমস্ত রাজনৈতিক ও সামাজিক শক্তির উচিত অরাজকতার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলা। তারা বলেছেন, গণতন্ত্র ও আইনের শাসন রক্ষার জন্য সবাইকে একত্রিত হতে হবে।
এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে। সরকার ও বিরোধী দলগুলোর মধ্যে উত্তেজনা বাড়তে পারে। এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। তাদের উচিত নির্বাচনকে নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু করার জন্য সকল প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া।
সরকারকে উচিত এই সহিংসতার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া। তাদের উচিত আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য সকল প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া। এই পরিস্থিতিতে সবাইকে সংযত থাকা উচিত। গণতন্ত্র ও আইনের শাসন রক্ষার জন্য সবাইকে একত্রিত হতে হবে।



