দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলের ঐতিহাসিক গোয়াংহোয়ামুন গেটের কাছে একটি অনুষ্ঠানে হাজার হাজার তরুণ ছেলে-মেয়ে জড়ো হয়েছিল। তারা সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইয়োলের একটি ছবির সাথে সেলফি তুলছিল। ইউন সুক-ইয়োল বর্তমানে কারাগারে বন্দী, কিন্তু তার অনুসারীরা তাকে একজন নায়ক হিসেবে দেখেন।
ফ্রিডম ইউনিভার্সিটি নামক একটি ডানপন্থী যুব সংগঠন এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল। এই সংগঠনটির নেতৃত্বে রয়েছে ২৪ বছর বয়সী পার্ক জুন-ইয়ং। তারা দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে এবং ইউন সুক-ইয়োলকে তাদের প্রেরণা হিসেবে দেখে।
গত বছরের ৩রা ডিসেম্বর ইউন সুক-ইয়োল সামরিক আইন জারি করেছিলেন, কিন্তু তা ব্যর্থ হয়েছিল। এরপর তিনি অভিশংসনের মুখোমুখি হন এবং বর্তমানে কারাগারে বন্দী। কিন্তু তার অনুসারীরা তাকে একজন শহীদ হিসেবে দেখেন।
ফ্রিডম ইউনিভার্সিটির নেতা পার্ক জুন-ইয়ং বলেছেন, ইউন সুক-ইয়োল যখন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছিলেন, তখন তারা খুব একটা উত্তেজিত ছিলেন না। কিন্তু এখন তারা ইউন সুক-ইয়োলকে একজন বিপ্লবী নায়ক হিসেবে দেখেন।
দক্ষিণ কোরিয়ার রাজনৈতিক পরিস্থিতি এখন খুব অস্থিতিশীল। ফ্রিডম ইউনিভার্সিটির মতো ডানপন্থী সংগঠনগুলো দেশের রাজনীতিতে একটি বড় ভূমিকা পালন করছে। এই সংগঠনগুলোর কর্মকাণ্ড দেশের ভবিষ্যতের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ফ্রিডম ইউনিভার্সিটির নেতা পার্ক জুন-ইয়ং বলেছেন, তারা দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তন চায়। তারা চায় দেশের যুবসমাজ রাজনীতিতে বেশি সক্রিয় হোক। তারা চায় দেশের রাজনৈতিক নেতারা যুবসমাজের চাহিদা ও আকাঙ্ক্ষার প্রতি মনোযোগী হোক।
ফ্রিডম ইউনিভার্সিটির মতো সংগঠনগুলো দক্ষিণ কোরিয়ার রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে একটি নতুন মাত্রা যোগ করেছে। এই সংগঠনগুলোর কর্মকাণ্ড দেশের ভবিষ্যতের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দেশের রাজনৈতিক নেতাদের এই সংগঠনগুলোর সাথে সংলাপ করতে হবে এবং তাদের চাহিদা ও আকাঙ্ক্ষার প্রতি মনোযোগী হতে হবে।



