প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম দুঃখ ও লজ্জা প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, এই ঘটনায় তিনি দুঃখিত ও লজ্জিত।
শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে শফিকুল আলম এই কথা বলেন। গত বৃহস্পতিবার হামলার সময় দুই সংবাদমাধ্যমের সাংবাদিকেরা ফোন করে সাহায্যের আকুতি জানিয়েছিলেন।
শফিকুল আলম বলেন, সব বন্ধুদের কাছে তিনি গভীরভাবে দুঃখিত যে কিছু করতে পারেননি। তিনি বলেন, সাহায্যের জন্য তিনি চেষ্টা করেছেন, দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের কাছে অসংখ্যবার ফোন করেছেন।
প্রেস সচিব জানান, দুটি সংবাদমাধ্যমে দেশের ইতিহাসে গণমাধ্যমের ওপর সংঘটিত ভয়াবহ হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে যায়। শফিকুল আলম বলেন, তিনি জানেন না, কোন শব্দ আপনাদের সান্ত্বনা দিতে পারে।
তিনি বলেন, আমি শুধু এটুকুই বলতে পারি—একজন সাবেক সাংবাদিক হিসেবে আমি দুঃখিত। মনে হচ্ছে, লজ্জায় আমি যদি গর্ত করে নিজেকে মাটিচাপা দিতে পারতাম।
এই ঘটনার পর দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি কেমন হবে তা নিয়ে অনেকেই উদ্বিগ্ন। কেউ কেউ বলছেন, এই ঘটনার পর দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হবে।
অন্যদিকে, সরকার এই ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছে এবং দোষীদের বিচারের আশ্বাস দিয়েছে। সরকার বলেছে, তারা এই ঘটনার তদন্ত করবে এবং দোষীদের বিচারের ব্যবস্থা করবে।
এই ঘটনার পর দেশের সাংবাদিক সমাজও ক্ষুব্ধ। তারা বলছেন, এই ঘটনায় সরকারকে দোষীদের বিচারের ব্যবস্থা করতে হবে। তারা বলছেন, সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
এই ঘটনার পর দেশের মানুষও ক্ষুব্ধ। তারা বলছেন, এই ঘটনায় সরকারকে দোষীদের বিচারের ব্যবস্থা করতে হবে। তারা বলছেন, সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
এই ঘটনার পর দেশের রাজনৈতিক দলগুলোও বিবৃতি দিয়েছে। তারা বলছেন, এই ঘটনায় সরকারকে দোষীদের বিচারের ব্যবস্থা করতে হবে। তারা বলছেন, সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
এই ঘটনার পর দেশের মানুষ আশা করছে, সরকার এই ঘটনার তদন্ত করবে এবং দোষীদের বিচারের ব্যবস্থা করবে। তারা আশা করছে, সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।
এই ঘটনার পর দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি কেমন হবে তা নিয়ে অনেকেই উদ্বিগ্ন। কেউ কেউ বলছেন, এই ঘটনার পর দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হবে।
কিন্তু এই ঘটনার পর দেশের মানুষ আশা করছে, সরকার এই ঘটনার তদন্ত করবে এবং দোষীদের বিচারের ব্যবস্থা করবে। তারা আশা করছে, সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।
এই ঘটনার পর দেশের রাজনৈতিক দলগুলোও বিবৃতি দিয়েছে। তারা বলছেন, এই ঘটনায় সরকারকে দোষীদের বিচারের ব্যবস্থা করতে হবে। তারা বলছেন, সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
এই ঘটনার পর দেশের মানুষ আশা করছে, সরকার এই ঘটনার তদন্ত করবে এবং দোষীদের বিচারের ব্যবস্থা করবে। তারা আশা করছে, সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।
এই ঘটনার পর দেশের রাজনৈ



