আগামী জানুয়ারিতে আন্তর্জাতিক আদালতে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে রোহিঙ্গা গণহত্যার শুনানি শুরু হবে। জাতিসংঘের সর্বোচ্চ বিচারিক সংস্থা আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (আইসিজে) এই শুনানির তারিখ নির্ধারণ করেছে।
এই শুনানি চলবে ১২ থেকে ২৯ জানুয়ারি পর্যন্ত। এক দশকের বেশি সময় পর আইসিজেতে কোনো গণহত্যা মামলার মূল বিষয়ের ওপর শুনানি হতে যাচ্ছে, যা আন্তর্জাতিক আইনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারে।
গাম্বিয়া দেশ মিয়ানমারের বিরুদ্ধে রোহিঙ্গা গণহত্যার অভিযোগে মামলা দায়ের করেছে। এই মামলার শুনানি জনসাধারণ ও গণমাধ্যমের জন্য বন্ধ থাকবে।
জাতিসংঘের একটি তদন্ত মিশন ২০১৭ সালে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর অভিযানে ‘গণহত্যামূলক কর্মকাণ্ড’ সংঘটিত হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করে। ওই অভিযানের সময় প্রায় সাড়ে সাত লাখ রোহিঙ্গা জীবন বাঁচাতে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়।
মিয়ানমার অবশ্য জাতিসংঘের ওই প্রতিবেদনকে ‘পক্ষপাতদুষ্ট ও ত্রুটিপূর্ণ’ বলে দাবি করেছে। তাদের ভাষ্য, ওই অভিযান ছিল নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর হামলা চালানো রোহিঙ্গা বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে পরিচালিত।
এই মামলাটি ১৯৪৮ সালের জাতিসংঘের গণহত্যা সনদ অনুযায়ী দায়ের করা হয়েছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নাৎসি জার্মানির হাতে ইহুদিদের গণহত্যার পর এই সনদ প্রণয়ন করা হয়। সনদ অনুযায়ী, কোনো জাতিগত, ধর্মীয় বা নৃগোষ্ঠীকে পুরোপুরি বা আংশিকভাবে ধ্বংসের উদ্দেশ্যে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড, গুরুতর শারীরিক বা মানসিক ক্ষতি কিংবা ধ্বংসের উদ্দেশ্যে সৃষ্ট পরিস্থিতি গণহত্যার আওতায় পড়ে।
গাম্বিয়া ও মিয়ানমার—উভয় দেশই এ সনদের স্বাক্ষরকারী হওয়ায় আইসিজের এ মামলার বিচারিক এখতিয়ার রয়েছে।
আগামী জানুয়ারির শুনানি আন্তর্জাতিক আইনের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারে। এই শুনানির ফলাফল মিয়ানমার ও রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে।
আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এই শুনানির প্রতি মনোযোগ সহকারে দেখছে। এই শুনানির মাধ্যমে আন্তর্জাতিক আইনের ক্ষেত্রে একটি নতুন দিক উন্মোচিত হতে পারে।
এই শুনানি শুরু হওয়ার আগে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় মিয়ানমার সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে যাতে তারা এই শুনানিতে সহযোগিতা করে।
এই শুনানির ফলাফল আন্তর্জাতিক আইনের ক্ষেত্রে একটি নতুন দিক উন্মোচিত করতে পারে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এই শুনানির প্রতি মনোযোগ সহকারে দেখছে।
আগামী জানুয়ারির শুনানি আন্তর্জাতিক আইনের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারে। এই শুনানির ফলাফল মিয়ানমার ও রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে।
আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এই শুনানির প্রতি মনোযোগ সহকারে দেখছে। এই শুনানির মাধ্যমে আন্তর্জাতিক আইনের ক্ষেত্রে একটি নতুন দিক উন্মোচিত হতে পারে।
এই শুনানি শুরু হওয়ার আগে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় মিয়ানমার সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে যাতে তারা এ



