মার্ক জুকারবার্গ, মেটা সিইও, ২০১৩ সালে অভিবাসন সমর্থনকারী গোষ্ঠী এফডব্লিউডি.আস প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি বলেছিলেন, প্রতিভাবান ও কঠোর পরিশ্রমী ব্যক্তিদের নাগরিকত্ব প্রদান করা উচিত। কিন্তু এখন, ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় ফিরে এসেছেন এবং কঠোর অভিবাসন নীতি প্রয়োগ করছেন। জুকারবার্গের অলাভজনক সংস্থা চান জুকারবার্গ ইনিশিয়েটিভ (সিজেআই) এফডব্লিউডি.আস-এর সাথে সম্পর্ক ছেড়েছে।
সিজেআই এফডব্লিউডি.আস-কে এই বছর কোনো অর্থায়ন প্রদান করেনি। ২০১৩ সাল থেকে এফডব্লিউডি.আস প্রায় ৪০০ মিলিয়ন ডলার অনুদান পেয়েছে, যার অধিকাংশই সিজেআই থেকে এসেছে। সিজেআই-এর চিফ অফ স্টাফ জর্ডান ফক্স এফডব্লিউডি.আস-এর বোর্ড থেকে পদত্যাগ করেছেন।
গত বছরের শেষের দিকে, জুকারবার্গ ট্রাম্পের উপদেষ্টা স্টিফেন মিলারের সাথে সাক্ষাৎ করেন। মিলার জুকারবার্গকে এফডব্লিউডি.আস-এর সাথে তার সম্পর্ক সম্পর্কে প্রশ্ন করেন। এরপর, মেটা তার বৈচিত্র্য, সমতা ও অন্তর্ভুক্তি (ডিইআই) প্রোগ্রাম বন্ধ করে দেয়। কোম্পানিটি তৃতীয় পক্ষের ফ্যাক্ট-চেকারদেরকেও বরখাস্ত করে।
এই সিদ্ধান্তগুলো বিশেষজ্ঞদের মতে ট্রাম্পের নীতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। জুকারবার্গের এই সিদ্ধান্ত তার রাজনৈতিক অবস্থানের উপর প্রভাব ফেলতে পারে। তার সিদ্ধান্ত অভিবাসন নীতির উপরও প্রভাব ফেলবে।
জুকারবার্গের এই সিদ্ধান্ত তার কোম্পানির জন্য কী ধরনের পরিণতি বয়ে আনবে তা এখনও অস্পষ্ট। কিন্তু এটা নিশ্চিত যে এই সিদ্ধান্ত তার রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক কর্মজীবনের উপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে।
এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে, অভিবাসন নীতির উপর ট্রাম্পের প্রভাব আরও বৃদ্ধি পাবে। এটা সম্ভবত অভিবাসন সংস্কারের উপর প্রভাব ফেলবে। জুকারবার্গের সিদ্ধান্ত তার কোম্পানির জন্য কী ধরনের পরিণতি বয়ে আনবে তা এখনও অস্পষ্ট। কিন্তু এটা নিশ্চিত যে এই সিদ্ধান্ত তার রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক কর্মজীবনের উপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে।
এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে, অভিবাসন নীতির উপর ট্রাম্পের প্রভাব আরও বৃদ্ধি পাবে। এটা সম্ভবত অভিবাসন সংস্কারের উপর প্রভাব ফেলবে। জুকারবার্গের সিদ্ধান্ত তার কোম্পানির জন্য কী ধরনের পরিণতি বয়ে আনবে তা এখনও অস্পষ্ট। কিন্তু এটা নিশ্চিত যে এই সিদ্ধান্ত তার রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক কর্মজীবনের উপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে।
এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে, অভিবাসন নীতির উপর ট্রাম্পের প্রভাব আরও বৃদ্ধি পাবে। এটা সম্ভবত অভিবাসন সংস্কারের উপর প্রভাব ফেলবে।



