গণমাধ্যম কার্যালয়ে হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনার মধ্য দিয়ে জনগণের ঐক্য বিনষ্ট করা হয়েছে। গণমাধ্যম থেকে শুরু করে যেকোনো প্রতিষ্ঠান রক্ষা করতে হবে।
গণতান্ত্রিক সংস্কার জোটের নেতারা এই ঘটনার নিন্দা জানিয়েছেন। তাঁরা বলেছেন, গণমাধ্যম কার্যালয়ে হামলা ও অগ্নিসংযোগ খুবই অশনিসংকেত। এই ধরনের ঘটনা ঘটানোর মাধ্যমে জাতীয় নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করা হতে পারে।
নাহিদ ইসলাম বলেছেন, গণমাধ্যম কার্যালয়ে হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনার মধ্য দিয়ে জনগণের ঐক্য বিনষ্ট করা হয়েছে। গণমাধ্যম থেকে শুরু করে যেকোনো প্রতিষ্ঠান রক্ষা করতে হবে। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের রাজনীতি, আদর্শ ও নীতি আলাদা থাকতে পারে। ভিন্নমত থাকলে সমালোচনা করা যায়। কিন্তু প্রতিষ্ঠান ভেঙে ফেলা, প্রতিষ্ঠানে অগ্নিসংযোগ খুবই অশনিসংকেত।
হাসনাত কাইয়ুম বলেছেন, সরকার যদি অগ্নিসন্ত্রাসীদের প্রতি পক্ষপাত করে, তাহলে এটি খুব ভয়াবহ ব্যাপার হবে। নির্বাচনের মুখে দাঁড়িয়ে যে সংবাদ জাতিকে দেওয়া হলো, সেটা কোনভাবেই কাঙ্ক্ষিত নয়। এসব ঘটনার জন্য সরকারকে দায়বদ্ধ করা হবে।
গণমাধ্যম কার্যালয়ে হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনার মধ্য দিয়ে জনগণের ঐক্য বিনষ্ট করা হয়েছে। গণমাধ্যম থেকে শুরু করে যেকোনো প্রতিষ্ঠান রক্ষা করতে হবে। সরকারকে এই ঘটনার জন্য দায়বদ্ধ করা হবে। যারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে, তাদের গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনতে হবে।
নির্বাচনের মুখে দাঁড়িয়ে এই ধরনের ঘটনা ঘটানো খুবই অশনিসংকেত। সরকারকে এই ঘটনার জন্য দায়বদ্ধ করা হবে। যারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে, তাদের গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনতে হবে। গণমাধ্যম কার্যালয়ে হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনার মধ্য দিয়ে জনগণের ঐক্য বিনষ্ট করা হয়েছে। গণমাধ্যম থেকে শুরু করে যেকোনো প্রতিষ্ঠান রক্ষা করতে হবে।
সরকারকে এই ঘটনার জন্য দায়বদ্ধ করা হবে। যারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে, তাদের গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনতে হবে। গণমাধ্যম কার্যালয়ে হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনার মধ্য দিয়ে জনগণের ঐক্য বিনষ্ট করা হয়েছে। গণমাধ্যম থেকে শুরু করে যেকোনো প্রতিষ্ঠান রক্ষা করতে হবে।



