জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারী মোস্তফিজুর রহমান বলেছেন, বামপন্থী ও শাহবাগি গোষ্ঠীগুলোকে ভেঙে ফেলতে হবে। তিনি বলেন, এভাবেই বাংলাদেশের সত্যিকারের স্বাধীনতা অর্জিত হবে।
মোস্তফিজুর রহমান বৃহষ্পতিবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহিদ মিনারে এক র্যালিতে এই মন্তব্য করেন। এই র্যালিটি ইনকিলাব মঞ্চের নেতা শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুর প্রতিবাদে এক বিক্ষোভ মিছিলের পরে অনুষ্ঠিত হয়।
মোস্তফিজুর রহমান বলেন, রাজনৈতিক সংগ্রামের মাধ্যমেই সত্যিকারের স্বাধীনতা অর্জিত হবে না। তিনি বলেন, শহিদ ওসমান হাদির ইনকিলাব মঞ্চ থেকে এক সাংস্কৃতিক আন্দোলনের মাধ্যমে এই সংগ্রাম শুরু করতে হবে।
তিনি ভারতের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার দাবি জানান। তিনি বলেন, বাংলাদেশে আইনত বা অবৈধভাবে কাজ করছে এমন সকল ভারতীয়কে ২৪ ঘন্টার মধ্যে দেশে পাঠিয়ে দিতে হবে।
মোস্তফিজুর রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও শরিফ ওসমান হাদির হত্যাকারীকে বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তর না করা পর্যন্ত ভারতের সাথে কোনো ধরনের সম্পর্ক রাখা উচিত নয়।
পরে শুক্রবার বিকেলে মোস্তফিজুর রহমান এক ফেসবুক পোস্টে তার বক্তব্যের ব্যাখ্যা দেন। তিনি বলেন, তার বক্তব্যটি ‘সাংস্কৃতিক ও বর্ণনামূলক আধিপত্য’ এর বিরুদ্ধে সংগ্রামের কথা বলা হয়েছে, শারীরিক ধ্বংসের কথা নয়।
পরবর্তীতে সন্ধ্যায় আরেকটি পোস্টে তিনি ‘ভাঙ্গতে’ শব্দটির ব্যবহার সম্পর্কে ব্যাখ্যা দেন। তিনি বলেন, এই শব্দটি বিধ্বংসী কাজকে বোঝায় না, বরং প্রতিষ্ঠানগত উপায়ে বিকল্প কাঠামো গড়ে তোলা এবং যা তিনি ‘ফ্যাসিবাদী’ বলে অভিহিত করেছেন তার মোকাবিলা করার কথা বলা হয়েছে।
এই ঘটনার পর রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এই বিতর্কিত বক্তব্যের পর সরকার ও বিরোধী দলগুলোর মধ্যে উত্তেজনা বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এই ঘটনার পর বাংলাদেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপট কেমন হবে তা নিয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা আগ্রহের সাথে নজর রাখছেন। তারা বলছেন, এই ঘটনার পর রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও জটিল হবে।
এই ঘটনার পর সরকার ও বিরোধী দলগুলোকে সংযত থাকতে হবে বলে বিশ্লেষকরা মনে করেন। তারা বলছেন, এই ঘটনার পর রাজনৈতিক সংঘাত বাড়তে পারে।
এই ঘটনার পর বাংলাদেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যত নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ঘটনার পর রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও অস্থিতিশীল হবে।
এই ঘটনার পর বাংলাদেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপট কেমন হবে তা নিয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা গবেষণা করছেন। তারা বলছেন, এই ঘটনার পর রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও গুরুতর হবে।
এই ঘটনার পর সরকার ও বিরোধী দলগুলোকে সংযত থাকতে হবে বলে বিশ্লেষকরা মনে করেন। তারা বলছেন, এই ঘটনার পর রাজনৈতিক সংঘাত বাড়তে পারে।
এই ঘটনার পর বাংলাদেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যত নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ঘটনার পর রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও অস্থিতিশীল হবে।
এই ঘটনার পর



