নালন্দা উচ্চ বিদ্যালয়ের ছায়ানট সংস্কৃতি-ভবনে সম্প্রতি একটি হামলার ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষসহ প্রয়োজনীয় নথিপত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা শীতকালীন অবকাশের পর বিদ্যালয় খুলতে চায়।
ছায়ানট ভবনের সামনে নালন্দা উচ্চ বিদ্যালয়ের বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থীর অভিভাবকের উপস্থিতি দেখা যায়। তারা বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম সম্পর্কে উদ্বিগ্ন। একজন অভিভাবক বলেন, ‘আমার সন্তান এখানে লেখাপড়া করে। এটা একটা স্কুল। সেই স্কুলেই আগুন দেওয়া হয়েছে, এটা ভাবতেই খুব খারাপ লেগেছে।’
বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা শীতকালীন অবকাশের পর বিদ্যালয় খুলতে চায়। বিদ্যালয়ের সংস্কৃতি-ভবনের ক্ষতি সারিয়ে পাঠদান শুরু করার বিষয়ে তারা আশাবাদী। বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম সম্পর্কে অভিভাবকদের উদ্বেগ কমাতে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে।
বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মনোবল বাড়াতে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি পরিচালনা করছে। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করছে এবং তাদের মনোবল বাড়ানোর চেষ্টা করছে। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আশা করছে, শীতকালীন অবকাশের পর বিদ্যালয় খুললে শিক্ষার্থীরা আবার তাদের পড়াশোনা শুরু করতে পারবে।
বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য এই হামলার ঘটনা খুবই বেদনাদায়ক। তারা এই ঘটনার পর তাদের মনোবল হারিয়েছে। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাদের মনোবল বাড়াতে বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি পরিচালনা করছে। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করছে এবং তাদের মনোবল বাড়ানোর চেষ্টা করছে।
বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করার চেষ্টা করছে। তারা বিদ্যালয়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করছে। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এই নিরাপদ পরিবেশে তাদের পড়াশোনা করতে পারবে। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আশা করছে, শীতকালীন অবকাশের পর বিদ্যালয় খুললে শিক্ষার্থীরা আবার তাদের পড়াশোনা শুরু করতে পারবে।
বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য এই হামলার ঘটনা খুবই বেদনাদায়ক। তারা এই ঘটনার পর তাদের মনোবল হারিয়েছে। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাদের মনোবল বাড়াতে বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি পরিচালনা করছে। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করছে এবং তাদের মনোবল বাড়ানোর চেষ্টা করছে। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আশা করছে, শীতকালীন অবকাশের পর বিদ্যালয় খুললে শিক্ষার্থীরা আবার তাদের পড়াশোনা শুরু করতে পারবে।
বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য এই হামলার ঘটনা খুবই বেদনাদায়ক। তারা এই ঘটনার পর তাদের মনোবল হারিয়েছে। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাদের মনোবল বাড়াতে বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি পরিচালনা করছে। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করছে এবং তাদের মনোবল বাড়ানোর চেষ্টা করছে। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আশা করছে, শীতকালীন অবকাশের পর বিদ্যালয় খুললে শিক



