সিঙ্গাপুরের জলসীমায় অবৈধ ট্যাঙ্কারের সংখ্যা বাড়ছে। এই ট্যাঙ্কারগুলোকে ‘ছায়া বহর’ বলা হয়। সিঙ্গাপুর স্ট্রেইটের কাছে এই ধরনের কমপক্ষে ২৭টি জাহাজ দেখা গেছে। আরও ১৩০টি ট্যাঙ্কার ইন্দোনেশিয়ার রিয়াউ দ্বীপপুঞ্জের কাছে অবস্থান করছে।
সিঙ্গাপুর স্ট্রেইট বিশ্বের সবচেয়ে ব্যস্ততম সামুদ্রিক পথগুলোর মধ্যে একটি। প্রতি বছর এই পথে দিয়ে ৮০,০০০টি জাহাজ চলাচল করে। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে এই পথে চলাচলকারী জাহাজের ধরন পরিবর্তন হয়েছে।
ইউক্রেন ও মধ্যপ্রাচ্যে সংঘর্ষের কারণে পশ্চিমা দেশগুলো রাশিয়া ও ইরানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। এর ফলে একটি অবৈধ সামুদ্রিক নেটওয়ার্ক তৈরি হয়েছে যা নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও তেল পরিবহন করছে।
সিঙ্গাপুর স্ট্রেইট বিশ্বের সামুদ্রিক বাণিজ্যের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পথ। এই পথে দিয়ে বিশ্বের এক-তৃতীয়াংশ পণ্য পরিবহন করা হয়। কিন্তু আন্তর্জাতিক আইনের কারণে সিঙ্গাপুরের কর্তৃপক্ষ এই অবৈধ জাহাজগুলোর বিরুদ্ধে কিছু করতে পারছে না।
সাম্প্রতিক সময়ে সিঙ্গাপুরের জলসীমার বাইরে সন্দেহজনক জাহাজ চলাচল করছে। এই জাহাজগুলো সিঙ্গাপুরের আইনি এখতিয়ারের বাইরে কাজ করছে। এর ফলে সিঙ্গাপুরের কর্তৃপক্ষ এই অবৈধ জাহাজগুলোর বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিতে পারছে না।
এই অবৈধ জাহাজগুলো বিশ্বের সামুদ্রিক বাণিজ্যের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য হুমকি। সিঙ্গাপুরের কর্তৃপক্ষকে এই অবৈধ জাহাজগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। এই অবৈধ জাহাজগুলো বন্ধ করার জন্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতা প্রয়োজন।
সিঙ্গাপুর স্ট্রেইটের নিরাপত্তা বিশ্বের সামুদ্রিক বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই পথে দিয়ে বিশ্বের অনেক দেশের পণ্য পরিবহন করা হয়। তাই এই পথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতা প্রয়োজন।
সিঙ্গাপুরের কর্তৃপক্ষ এই অবৈধ জাহাজগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছে। কিন্তু এই অবৈধ জাহাজগুলো বন্ধ করার জন্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতা প্রয়োজন। বিশ্বের সামুদ্রিক বাণিজ্যের জন্য এই অবৈধ জাহাজগুলো একটি উল্লেখযোগ্য হুমকি। তাই এই অবৈধ জাহাজগুলো বন্ধ করার জন্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতা প্রয়োজন।



