ঢাকায় ডেইলি স্টার অফিসে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় আন্তর্জাতিক মিডিয়া ব্যাপক আলোচনা করছে। এই ঘটনায় সাংবাদিকদের অফিসে আটকা পড়া এবং সাময়িকভাবে প্রকাশনা বন্ধ হয়ে যাওয়ার খবর প্রকাশিত হয়েছে।
বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মিডিয়া প্রতিষ্ঠান যেমন এএফপি, রয়টার্স, আল জাজিরা, বিবিসি, এনডিটিভি এবং দ্য স্ট্রেইটস টাইমস এই ঘটনার খবর প্রকাশ করেছে। এএফপি জানিয়েছে যে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদির মৃত্যুর পর ঢাকায় অন্তত তিনটি অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে।
ডেইলি স্টারের একজন প্রতিবেদক জানিয়েছেন যে তিনি ধোঁয়াভর্তি ভবনে আটকা পড়েছিলেন এবং পরে ফেসবুকে লিখেছিলেন, তার শ্বাস নিতে অসুবিধা হচ্ছে। অগ্নিনির্বাপক দল রাত ১টা ৪০ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।
রয়টার্স জানিয়েছে যে অগ্নিসংযোগকারীরা ডেইলি স্টার অফিসে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার পর অগ্নিনির্বাপক দল সাংবাদিকদের উদ্ধার করেছে। আল জাজিরা জানিয়েছে যে হাদির মৃত্যুর পর বিক্ষোভ হিংসাত্মক রূপ নিয়েছে এবং মিডিয়া অফিস, রাজনৈতিক ভবন ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানে হামলা করা হয়েছে।
ডেইলি স্টারের একজন সম্পাদক জানিয়েছেন যে প্রথমবারের মতো পত্রিকার প্রকাশনা বন্ধ করতে হয়েছে। এই ঘটনায় বাংলাদেশে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হচ্ছে।
পরবর্তী আদালত ও তদন্ত পরিস্থিতি জানানো হচ্ছে যে এই ঘটনায় কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর সম্পৃক্ততা আছে কিনা তা তদন্ত করা হচ্ছে। এই ঘটনায় সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সরকারকে দায়ী করা হচ্ছে।
সংবেদনশীল বিষয়ে সতর্কতা বজায় রাখা হচ্ছে এবং এই ঘটনায় কোনো রাজনৈতিক বা সামাজিক প্রভাব পড়বে না বলে আশা করা হচ্ছে। এই ঘটনায় সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সরকারকে পদক্ষেপ নিতে হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
এই ঘটনায় বাংলাদেশের সাংবাদিক সমাজ তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। এই ঘটনায় সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সরকারকে দায়ী করা হচ্ছে।
এই ঘটনায় বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হচ্ছে। এই ঘটনায় সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সরকারকে পদক্ষেপ নিতে হবে বলে মনে করা হচ্ছে।



