গাজায় খাদ্য সংকটের পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতি হলেও এখনও ১০০,০০০ মানুষ খুবই খারাপ অবস্থায় রয়েছে। জাতিসংঘ সমর্থিত খাদ্য নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা গত মাসে গাজায় পুষ্টি ও খাদ্য সরবরাহে উন্নতি পেয়েছে বলে জানিয়েছে।
গত আগস্টে, ইন্টিগ্রেটেড ফুড সিকিউরিটি ফেজ ক্লাসিফিকেশন (আইপিসি) খুঁজে পেয়েছে যে গাজার প্রায় এক চতুর্থাংশ জনসংখ্যা দুর্ভিক্ষের শিকার। অক্টোবরে যুদ্ধবিরতি শুরু হওয়ার পর থেকে জাতিসংঘ ও অন্যান্য মানবিক সংস্থাগুলো গাজায় খাদ্য সরবরাহ বাড়াতে সক্ষম হয়েছে।
ইজরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে যে প্রতিবেদনটি “ইচ্ছাকৃতভাবে বিকৃত” এবং “গাজা অঞ্চলের বাস্তবতাকে প্রতিফলিত করে না”। আইপিসির সর্বশেষ বিশ্লেষণ অনুসারে, গত মাসে গাজার প্রায় ৫ লাখ মানুষ জরুরি অবস্থার মধ্যে ছিল এবং ১০০,০০০ এরও বেশি মানুষ সবচেয়ে উচ্চ স্তরের খাদ্য নিরাপত্তার অভাবের মধ্যে ছিল।
আইপিসি পর্যায় ৫ হলো সবচেয়ে চরম স্তরের খাদ্য নিরাপত্তার অভাব, যা একটি এলাকার জন্য “দুর্ভিক্ষ” এবং পরিবারের জন্য “বিপর্যয়” হিসেবে চিহ্নিত। প্রতিবেদন অনুসারে, গাজার কোনো এলাকা এখন দুর্ভিক্ষের মধ্যে নেই।
ইজরায়েল আইপিসির মূল সিদ্ধান্তকে প্রত্যাখ্যান করেছে এবং এর পদ্ধতির সমালোচনা করেছে। কোগাট, ইজরায়েলের সামরিক সংস্থা যা গাজার সীমান্তগুলো নিয়ন্ত্রণ করে, বলেছে যে প্রতি সপ্তাহে খাদ্য সাহায্যের ট্রাকের সংখ্যা জাতিসংঘের প্রয়োজনীয়তার চেয়ে বেশি।
আইপিসি বলেছে যে গাজা শহরে তীব্র ক্ষুধার সমস্যা রয়েছে এবং দেইর আল-বালাহ ও খান ইউনিসে এটি গুরুতর। পরবর্তী কয়েক মাসে পরিস্থিতি গুরুতর থাকবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে, তবে সবচেয়ে গুরুতর অবস্থার মুখোমুখি মানুষের সংখ্যা এপ্রিলের মধ্যে ১,৯০০ এ নেমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
গাজার খাদ্য সংকট একটি জটিল সমস্যা যার সমাধান খুবই কঠিন। জাতিসংঘ ও অন্যান্য মানবিক সংস্থাগুলো গাজার মানুষের জন্য খাদ্য সাহায্য প্রদানের জন্য কাজ করছে, তবে এই সংকটের সমাধান করতে আরও বেশি প্রচেষ্টার প্রয়োজন।
গাজার মানুষের জন্য খাদ্য সাহায্য প্রদানের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা প্রয়োজন। জাতিসংঘ ও অন্যান্য মানবিক সংস্থাগুলো গাজার মানুষের জন্য খাদ্য সাহায্য প্রদানের জন্য কাজ করছে, তবে এই সংকটের সমাধান করতে আরও বেশি প্রচেষ্টার প্রয়োজন।
গাজার খাদ্য সংকট একটি গুরুতর সমস্যা যা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। এই সংকটের সমাধান করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা প্রয়োজন।
গাজার মানুষের জন্য খাদ্য সাহায্য প্রদানের জন্য জাতিসংঘ ও অন্যান্য মানবিক সংস্থাগুলো কাজ করছে। তবে এই সংকটের সমাধান করতে আরও বেশি প্রচেষ্টার প্রয়োজন।
গাজার খাদ্য সংকট একটি জটিল সমস্যা যার সমাধান খুবই কঠিন। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা প্রয়োজন এই সংকটের সমাধান করতে।
গাজার মানুষের জন্য খাদ্য সাহায্য প্রদানের জন্য জাতিসংঘ ও অন্যান্য মানবিক সংস্থাগুলো কাজ করছে। তবে এই সংকটের সমাধান কর



