জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলা শহরের প্রবেশপথে অবস্থিত মসজিদে নূর দেখতে প্রতিদিনই ভিড় করেন অসংখ্য দর্শনার্থী। এই মসজিদটি তিন দরজাবিশিষ্ট দুই তলা এবং মার্বেল পাথরের অবকাঠামোর তৈরি। ছাদের চারপাশে পিলারের ওপর সাতটি গম্বুজসহ চারটি বড় মিনার রয়েছে।
মসজিদের চারপাশে সবুজ সমারোহ এবং হরেক ফুলের বাগান রয়েছে। ডান পাশে একটি দৃষ্টিনন্দন অজুখানা আছে। এর ঠিক সামনেই বিশাল একটি মাঠ রয়েছে, যেখানে নিয়মিত খেলাধুলা করে স্থানীয় কিশোর, তরুণ ও যুবকেরা।
মসজিদের ভেতরে ঢুকতেই নজর কাড়ে কারুকাজ। মেঝেতে ব্যবহৃত হয়েছে মার্বেল পাথর। সম্পূর্ণ শীতাতপনিয়ন্ত্রিত দ্বিতল মসজিদের সিলিংয়ে ঝুলছে দৃষ্টিনন্দন ঝাড়বাতি।
মসজিদটি ২০১৮ সালের ১১ মে জুমার নামাজের মাধ্যমে মুসল্লিদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। পাঁচ একর জায়গাজুড়ে এটি নির্মিত হয়েছে। ব্যক্তিগত উদ্যোগে মাহবুবুল হক নামের এক ব্যক্তি এটি নির্মাণ করেন।
মসজিদের ইমাম মো.বেলাল হোসাইন বলেন, মসজিদের ভেতরে, নিচে ও দোতলায় প্রায় আড়াই হাজার মুসল্লি একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারেন। মসজিদের স্থাপত্যশৈলী দেখতে সেখানে প্রতিদিনই ভিড় করেন অসংখ্য দর্শনার্থী।
বকশীগঞ্জ উপজেলা শহরের রমজান আলী বলেন, এত বড় জায়গা নিয়ে সুন্দর মসজিদটি জামালপুরের আর কোথাও নাই। মূলত এর স্থাপত্যশৈলী দেখতেই প্রতিদিনই অসংখ্য মানুষ ভিড় করেন। বৃহত্তর ময়মনসিংহে এর মতো সুন্দর মসজিদ আর নেই।
মসজিদে নূর জামালপুরের একটি দর্শনীয় স্থান হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। এই মসজিদটি জামালপুরের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের একটি অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়। মসজিদের স্থাপত্যশৈলী এবং সুন্দর পরিবেশ দর্শনার্থীদের মন কেড়ে নেয়।
মসজিদে নূর জামালপুরের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় স্থান হিসেবে বিবেচিত হয়। এই মসজিদটি জামালপুরের মুসলিম সম্প্রদায়ের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে। মসজিদের স্থাপত্যশৈলী এবং সুন্দর পরিবেশ মুসল্লিদের জন্য একটি শান্তিপূর্ণ পরিবেশ প্রদান করে।
মসজিদে নূর জামালপুরের একটি দর্শনীয় স্থান হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। এই মসজিদটি জামালপুরের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের একটি অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়। মসজিদের স্থাপত্যশৈলী এবং সুন্দর পরিবেশ দর্শনার্থীদের মন কেড়ে নেয়। এই মসজিদটি জামালপুরের মুসলিম সম্প্রদায়ের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে।
মসজিদে নূর জামালপুরের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় স্থান হিসেবে বিবেচিত হয়। এই মসজিদটি জামালপুরের মুসলিম সম্প্রদায়ের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে। মসজিদের স্থাপত্যশৈলী এবং সুন্দর পরিবেশ মুসল্লিদের জন্য একটি শান্তিপূর্ণ পরিবেশ প্রদান করে। এই মসজিদটি জামালপুরের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের একটি অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়। মসজিদের স্থাপত্যশৈলী এবং সুন্দর পরিবেশ দর্শনার্থীদের মন কেড়ে নেয়।
মসজিদে নূর জামালপুরের একটি দর্শনীয় স্থান হিসেবে পরিচিতি লাভ



