ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদির দাফন জাতীয় সংসদ ভবন চত্বরে হতে পারে। এ বিষয়ে সরকারের উচ্চপর্যায়ের একটি প্রতিনিধি দল সংসদ ভবন এলাকা পরিদর্শন করেছে। এছাড়াও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কবি নজরুল ইসলামের কবরের পাশে সমাহিত করার একটি প্রস্তাবও এসেছে।
জাতীয় সংসদ ভবন চত্বরে ইতিমধ্যেই অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তি সমাহিত রয়েছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবদুস সাত্তার, সাবেক সংসদ সদস্য খান এ সবুর, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শাহ আজিজুর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী আতাউর রহমান খান, সাবেক মন্ত্রী মশিউর রহমান, সাহিত্যিক ও সাংবাদিক আবুল মনসুর আহমেদ এবং সাবেক স্পিকার তমিজউদ্দীন খান।
আপ বাংলাদেশের মুখ্য সমন্বয়ক রাফে সালমান রিফাত জানিয়েছেন, শরীফ ওসমান হাদির দাফন ঢাকায় হবে। তবে কোথায় হবে তা নিয়ে আলোচনা চলছে। জাতীয় সংসদ ভবন চত্বরের পাশাপাশি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কবি নজরুল ইসলামের কবরের পাশেও হতে পারে।
শরীফ ওসমান হাদি ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর মতিঝিলে গণসংযোগ করে ফেরার পথে গুলি করে আহত হন। তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের পর এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
এ ঘটনায় ১৫ ডিসেম্বর পল্টন থানায় মামলা করা হয়। মামলায় সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ফয়সাল করিম মাসুদকে আসামি করা হয়েছে।
শরীফ ওসমান হাদির দাফন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা চলছে। অনেকে তার দাফন জাতীয় সংসদ ভবন চত্বরে হওয়ার দাবি জানিয়েছেন। শহীদ আবরার ফাহাদের ভাই আবরার ফাইয়াজ ফেসবুকে লিখেছেন, পরিবারের আপত্তি না থাকলে, শরীফ ওসমান হাদিকে জাতীয় সংসদ ভবনের পাশে জাতীয় কবরস্থানে যে কোনও মূল্যে শায়িত করতে হবে।
ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় জেনারেল সেক্রেটারি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম ফেসবুকে লিখেছেন, ঢাকা-৮ আসনের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাটিতে কাজী নজরুল ইসলামের কবরের পাশে শরীফ ওসমান হাদির কবর করার দাবি জানাচ্ছি।



