ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুর পর রাজধানীতে বিভিন্ন বেসরকারি ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর ও সহিংসতা চালানো হয়েছে। পুলিশ বলছে, এসব ঘটনায় তৃতীয় পক্ষ জড়িত।
পুলিশ জানিয়েছে, হাদির মৃত্যুর পর সহিংসতায় জড়িত ও উসকানিদাতাদের শনাক্ত করা হচ্ছে। শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির সুযোগ নিয়ে যারা দেশের পরিস্থিতি ঘোলাটে করার চেষ্টা করছেন, তাদেরকেও আইনের আওতায় আনা হবে।
পুলিশের একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, হাদির মৃত্যুর পর তৃতীয় পক্ষ দেশের দুটি গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান, ছায়ানট ও ধানমণ্ডির ৩২ নম্বরের স্থাপনায় হামলা ও ভাঙচুর চালায়। আগুন ধরিয়ে দেয় প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার পত্রিকার কার্যালয়ে।
পুলিশ বলছে, যারা এসব করছে, তারা দেশে জরুরি অবস্থা চাচ্ছে। এর বাইরে আর কোনো কারণ নাই। ওরা হাদির চেতনার পরিপন্থী কাজ করছে হাদির নাম ও ব্যনার ব্যবহার করে। ওরা কখনোই ইনকিলাব মঞ্চের মতাদর্শী নন।
পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া) জানিয়েছেন, সহিংসতার পেছনে উসকানি রয়েছে। এ কারণেই দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট ও স্থাপনাগুলোতে গোয়েন্দা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত ফোর্স। এছাড়া গণমাধ্যমকর্মী ও প্রতিষ্ঠানে হামলা প্রতিরোধে পুলিশকে সতর্ক অবস্থায় দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
পুলিশ বলছে, হাদির মৃত্যুর সঙ্গে এসব প্রতিষ্ঠানে হামলার সম্পর্ক রয়েছে। তৃতীয় একটি পক্ষ এই হামলা ভাঙচুর ও আগুনের নেপথ্যে কাজ করছে। তাদের আমরা সবাই চিনি। শুধু নাম প্রকাশ করতে পারছি না।
প্রথম আলো, ডেইলি স্টারে কর্মরত গণমাধ্যমকর্মীসহ ঘটনাস্থল সংবাদ কাভার করা অন্যান্য গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের কর্মীরাও একই ধরনের তথ্য দিয়েছেন।
পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের একজন অতিরিক্ত কমিশনার বলেন, যারা এসব করছে, তারা দেশে জরুরি অবস্থা চাচ্ছে। এর বাইরে আর কোনো কারণ নাই। ওরা হাদির চেতনার পরিপন্থী কাজ করছে হাদির নাম ও ব্যনার ব্যবহার করে। ওরা কখনোই ইনকিলাব মঞ্চের মতাদর্শী নন।
পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া) জানিয়েছেন, সহিংসতার পেছনে উসকানি রয়েছে। এ কারণেই দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট ও স্থাপনাগুলোতে গোয়েন্দা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত ফোর্স। এছাড়া গণমাধ্যমকর্মী ও প্রতিষ্ঠানে হামলা প্রতিরোধে পুলিশকে সতর্ক অবস্থায় দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
পুলিশ বলছে, হাদির মৃত্যুর সঙ্গে এসব প্রতিষ্ঠানে হামলার সম্পর্ক রয়েছে। তৃতীয় একটি পক্ষ এই হামলা ভাঙচুর ও আগুনের নেপথ্যে কাজ করছে। তাদের আমরা সবাই চিনি। শুধু নাম প্রকাশ করতে পারছি না।
প্রথম আলো, ডেইলি স্টারে কর্মরত গণমাধ্যমকর্মীসহ ঘটনাস্থল সংবাদ কাভার করা অন্যান্য গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের কর্মীরাও একই ধরনের তথ্য দিয়েছেন।
পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের একজন অতিরিক্ত কমিশনার বলেন, যারা এসব করছে, তারা দেশে জরুরি অবস্থা চাচ্ছে। এর বাইরে আর কোনো কারণ নাই। ওরা হাদির চেতনার পরিপন্থী কাজ করছে হাদির নাম ও ব্যন



