গত বৃহস্পতিবার রাতে দৈনিক প্রথম আলো ও দ্য ডেইলি স্টার কার্যালয়ে বর্বরোচিত হামলার ঘটনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস পত্রিকা দুটির সম্পাদকদের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন। এই হামলায় পত্রিকা দুটির সম্পাদকদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন, এই অনাকাঙ্ক্ষিত ও ন্যক্কারজনক হামলা তাকে গভীরভাবে ব্যথিত করেছে।
প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন, দেশের শীর্ষস্থানীয় দুটি গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের ওপর এই হামলা স্বাধীন গণমাধ্যমের ওপর হামলার শামিল। এই ঘটনা দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা ও স্বাধীন সাংবাদিকতার পথে এক বিরাট বাধা সৃষ্টি করেছে।
প্রধান উপদেষ্টা সম্পাদকদের ও সংবাদমাধ্যমগুলোর পূর্ণ নিরাপত্তা এবং প্রয়োজনীয় অন্যান্য সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, এই হামলার ঘটনা দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করবে না।
এই ঘটনার পর দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠন এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। তারা এই হামলার ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে।
এই ঘটনার পর দেশের সাংবাদিক সমাজও ক্ষুব্ধ। তারা এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে এবং সরকারের কাছে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে।
এই ঘটনা দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা ও স্বাধীন সাংবাদিকতার পথে এক বিরাট বাধা সৃষ্টি করেছে। এই ঘটনার পর দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। এই ঘটনার পর দেশের সাংবাদিক সমাজও ক্ষুব্ধ। তারা এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে এবং সরকারের কাছে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে।
এই ঘটনার পর দেশের রাজনৈতিক দলগুলো একটি ঐক্যবদ্ধ পদক্ষেপ নিতে পারে। তারা এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে সরকারের কাছে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে। এই ঘটনার পর দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। এই ঘটনার পর দেশের সাংবাদিক সমাজও ক্ষুব্ধ। তারা এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে এবং সরকারের কাছে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে।
এই ঘটনা দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা ও স্বাধীন সাংবাদিকতার পথে এক বিরাট বাধা সৃষ্টি করেছে। এই ঘটনার পর দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। এই ঘটনার পর দেশের সাংবাদিক সমাজও ক্ষুব্ধ। তারা এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে এবং সরকারের কাছে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে।
এই ঘটনার পর দেশের রাজনৈতিক দলগুলো একটি ঐক্যবদ্ধ পদক্ষেপ নিতে পারে। তারা এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে সরকারের কাছে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে। এই ঘটনার পর দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। এই ঘটনার পর দেশের সাংবাদিক সমাজও ক্ষুব্ধ। তারা এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে এবং সরকারের কাছে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে।
এই ঘটনা দেশের গণতান্ত্রিক অগ



