উত্তর কোরিয়ার আইটি কর্মীরা বিভিন্ন ক্রিপটো এক্সচেঞ্জ, কাস্টডিয়ান ও ওয়েব থ্রি প্রতিষ্ঠানে অনুপ্রবেশ করে চুরি কার্যক্রম চালিয়েছে। প্রথমে তারা অভ্যন্তরীণ প্রবেশাধিকার তৈরি করে এবং পরে বড় অঙ্কের সম্পদ হাতিয়ে নেয়।
চেইনঅ্যানালিসিস জানায়, এই কৌশল দ্রুত ও নিরাপদভাবে অর্থ পাচারে সহায়তা করছে। বৃহস্পতিবার নিক্কেই এশিয়ার প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ২০২৫ সালে বৈশ্বিক ক্রিপটো চুরির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩.৪ বিলিয়ন ডলার।
এর মধ্যে ফেব্রুয়ারিতে ক্রিপটো এক্সচেঞ্জ বাইবিটে সংঘটিত হামলায় ১.৫ বিলিয়ন ডলার চুরি হয়। বিশ্লেষকদের দাবি, এই হামলার পেছনে ছিল উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত হ্যাকার গ্রুপ লাজারাস।
চেইনঅ্যানালিসিসের জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান অ্যান্ড্রু ফিয়ারম্যান বলেন, চুরি করা অর্থ পাচারের জন্য উত্তর কোরিয়ার হ্যাকাররা প্রায়ই চীনের মানি লন্ডারিং সেবার ওপর নির্ভর করে।
আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার কারণে উত্তর কোরিয়া বৈশ্বিক আর্থিক ব্যবস্থায় সরাসরি লেনদেন করতে পারে না। জাতিসংঘ, যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার নিষেধাজ্ঞা সামরিক ও অস্ত্র কর্মসূচিতে ব্যয় মেটাতে দেশটিকে অবৈধ পথ বেছে নিতে বাধ্য করেছে।
গবেষকদের মতে, আদর্শগত উদ্দেশ্যে হামলা চালালেও এখন উত্তর কোরিয়ার সাইবার কার্যক্রমের মূল উদ্দেশ্য অর্থ উপার্জন।
এই বিষয়ে আরও তদন্ত চলছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে আরও বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে।
এই ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এই ধরনের অপরাধ রোধে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে।
উত্তর কোরিয়ার এই ধরনের কার্যক্রম আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার জন্য হুমকি সৃষ্টি করছে। এই বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে হবে।
আরও তথ্য পাওয়া যাবে পরবর্তী প্রতিবেদনে।



