কেরালার আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উত্সবে এক বড় বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। কেরালা চালচিত্র একাডেমি উত্সবে ৬টি ছবি প্রদর্শন না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আপত্তির পরিপ্রেক্ষিতে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সতর্ক করেছে যে, এই ৬টি ছবি দেশের বিদেশী নীতির বিরুদ্ধে এবং জাতীয় নিরাপত্তার জন্য ক্ষতিকর। কেরালা চালচিত্র একাডেমির চেয়ারম্যান জানিয়েছেন, ১৯টি ছবি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে পাঠানো হয়েছিল, তার মধ্যে ১২টি ছবি অনুমোদিত হয়েছে। একটি ছবি ইতিমধ্যেই প্রদর্শনের জন্য নির্বাচিত ছিল না, কারণ এটির সেন্সর বোর্ডের শংসাপত্র ছিল না। বাকি ৬টি ছবি প্রদর্শনের অনুমতি দেওয়া হয়নি।
কেরালা চালচিত্র একাডেমির চেয়ারম্যান জানিয়েছেন, তিনি স্বেচ্ছায় এই ৬টি ছবি প্রদর্শন বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি বলেছেন, কেরালা সরকার এই ৬টি ছবি প্রদর্শনের অনুমতি দিতে রাজি ছিল, কিন্তু তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন দেশের জাতীয় স্বার্থকে সম্মান করার জন্য। এই সিদ্ধান্ত শুধুমাত্র কেরালা চালচিত্র একাডেমিরই ছিল।
এই ঘটনাটি চলচ্চিত্র উত্সবের পরিবেশে এক বড় বিতর্কের সৃষ্টি করেছে। অনেকে এই সিদ্ধান্তকে চলচ্চিত্র নির্মাতাদের স্বাধীনতার লঙ্ঘন বলে মনে করছেন। কিন্তু কেরালা চালচিত্র একাডেমির চেয়ারম্যান তাদের সিদ্ধান্তের পক্ষে কথা বলছেন।
এই ঘটনাটি চলচ্চিত্র উত্সবের পরিবেশে এক নতুন আলোচনার সৃষ্টি করেছে। চলচ্চিত্র নির্মাতারা এবং দর্শকরা এই ঘটনাটি নিয়ে আলোচনা করছেন। এই ঘটনাটি চলচ্চিত্র উত্সবের পরিবেশে এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
চলচ্চিত্র উত্সবের পরিবেশে এই ঘটনাটি এক বড় প্রভাব ফেলবে। চলচ্চিত্র নির্মাতারা এবং দর্শকরা এই ঘটনাটি নিয়ে আলোচনা করবেন। এই ঘটনাটি চলচ্চিত্র উত্সবের পরিবেশে এক নতুন মাত্রা যোগ করবে।
এই ঘটনাটি চলচ্চিত্র উত্সবের পরিবেশে এক বড় বিতর্কের সৃষ্টি করেছে। চলচ্চিত্র নির্মাতারা এবং দর্শকরা এই ঘটনাটি নিয়ে আলোচনা করছেন। এই ঘটনাটি চলচ্চিত্র উত্সবের পরিবেশে এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
চলচ্চিত্র উত্সবের পরিবেশে এই ঘটনাটি এক বড় প্রভাব ফেলবে। চলচ্চিত্র নির্মাতারা এবং দর্শকরা এই ঘটনাটি নিয়ে আলোচনা করবেন। এই ঘটনাটি চলচ্চিত্র উত্সবের পরিবেশে এক নতুন মাত্রা যোগ করবে।



